ইউরোপে ন্যাটো জোটের শীর্ষ কমান্ডার বলেছেন, এ জোটের পূর্ব ইউরোপীয় সদস্য দেশগুলোতে শিগগিরই মার্কিন সেনা মোতায়েন করা হতে পারে। পূর্ব ইউরোপের দেশ ইউক্রেনের সঙ্গে রাশিয়ার উত্তেজনা যখন ক্রমেই বেড়ে যাচ্ছে তখন এ ঘোষণা দিল ন্যাটো। অবশ্য ইউক্রেন ন্যাটো জোটের সদস্য নয়।
ন্যাটো জোটের ইউরোপীয় কমান্ডার এবং মার্কিন বিমান বাহিনীর কর্মকর্তা জেনারেল ফিলিপ ব্রিডলাভ বার্তা সংস্থা এপিকে বলেছেন, পূর্ব ইউরোপে ন্যাটোর সামরিক শক্তি জোরদারে অংশ হিসেবে মার্কিন সেনা তলব করা হতে পারে। তিনি বলেন, “আমরা মূলত পানি, স্থল ও আকাশসীমাসমৃদ্ধ একটি প্যাকেজ চাই যেখানে বসে আমরা আমাদের সবচেয়ে পূর্বের সদস্যদেশগুলোর নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিতে পারি। আগামী সপ্তাহের মধ্যে এ ব্যবস্থা করার দায়িত্ব আমার কাঁধে এসে পড়েছে এবং আমি যতদ্রুত সম্ভব তা করতে চাই।”
রাশিয়ার কাছাকাছি ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোতে মার্কিন সেনা পাঠানো হবে কি না জানতে চাইলে জেনারেল ব্রিডলাভ বলেন, “আমি কোনো সদস্যদেশের অংশগ্রহণ বাদ দেয়ার কথা বলতে পারি না।” ইউক্রেন সীমান্তে রাশিয়া এখনো ৪০,০০০ সেনা মোতায়েন করে রেখেছে বলে দাবি করেন ব্রিডলাভ। তার মতে, এই ৪০ হাজার সেনাকে সব ধরনের ক্ষমতা ও সর্বাত্মক যুদ্ধ করার সক্ষমতা দিয়েই ইউক্রেন সীমান্ত মোতায়েন করা হয়েছে।
[b]ঢাকা, ১০ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম) // টিআই[/b]
‘পূর্ব ইউরোপে মার্কিন সেনা মোতায়েন করা হতে পারে’
ইউরোপে ন্যাটো জোটের শীর্ষ কমান্ডার বলেছেন, এ জোটের পূর্ব ইউরোপীয় সদস্য দেশগুলোতে শিগগিরই মার্কিন সেনা মোতায়েন করা হতে পারে। পূর্ব ইউরোপের দেশ ইউক্রেনের সঙ্গে রাশিয়ার
ভাড়া, চাকরি ও শিক্ষার দাবিতে উত্তাল ইউরোপ, নেতৃত্বে তরুণেরা
বাড়িভাড়া নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও শিক্ষায় বরাদ্দ বাড়ানোর দাবিতে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বিক্ষোভে নেমেছেন লাখো তরুণ। ইতালির রোমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অবরোধ, স্পেনের মাদ্রিদে তাঁবু গেড়ে অবস্থান এবং ফ্রান্সের বিভিন্ন শহরে রাজপথে বিক্ষোভের মাধ্যমে রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি ক্ষোভ জানাচ্ছেন তাঁরা।
ইউরোপে তাপপ্রবাহে ৫০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু
ইউরোপে ২০২৬ সালের গ্রীষ্মে তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে ৫০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে এক গবেষণায় উঠে এসেছে। গবেষকদের ধারণা, তাপজনিত মৃত্যুর হিসাবে এবারের গ্রীষ্ম মহাদেশটির ইতিহাসে অন্যতম প্রাণঘাতী হতে পারে।
ইউরোপ থেকে ৩৫ বাংলাদেশিকে ফেরত
ইউরোপ থেকে ৩৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ইতালি থেকে ১৯ জন, গ্রিস থেকে ১০ জন এবং সাইপ্রাস থেকে ছয় জন বাংলাদেশি দেশে ফিরছেন। ইমিগ্রেশন পুলিশ ও বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল সোয়া আটটায় একটি বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে (পিভিজি ৯৪৪৫) তারা ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।
ইউরোপজুড়ে তরুণেরা বিক্ষোভে জড়াচ্ছে কেন?
ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রাজপথে নেমেছেন তরুণেরা। ফ্রান্স, স্পেন, পর্তুগাল, ইতালি ও আলবেনিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে বিক্ষোভ। কোথাও শিক্ষাব্যবস্থার দুরবস্থা ও শিক্ষকের সংকট, কোথাও বাড়িভাড়া ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, আবার কোথাও দুর্নীতি ও কর্মসংস্থানের অভাব নিয়ে ক্ষোভ জানাচ্ছেন বিক্ষোভকারীরা। ফ্রান্সে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে শুরু হওয়া আন্দোলন পরে সরকারবিরোধী বৃহত্তর বিক্ষোভে রূপ নিয়েছে। কয়েকটি দেশে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ সহিংসতায়ও গড়িয়েছে।
ইউরোপের রাস্তায় বিক্ষোভকারীরা, উত্তাল ৪ দেশ
জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, কম মজুরি ও সরকারি সেবার অবনতির প্রতিবাদে ইউরোপের চার দেশে রাস্তায় নেমেছেন লাখো মানুষ। শনিবার ফ্রান্স, বেলজিয়াম, ইতালি ও পর্তুগালে বিক্ষোভ হয়েছে। কয়েকটি শহরে এসব কর্মসূচি সহিংসতায় রূপ নেয়। ঘটেছে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ।
















