বুধবার (১৪ অক্টোবর) সন্ধ্যা পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাতিল ও স্থগিত হওয়া ফ্লাইটগুলোর যাত্রীদের বিকল্প ব্যবস্থায় গন্তব্যে পৌঁছে দিতে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সগুলো। তবে ভিসার মেয়াদ শেষের দিকে থাকা প্রবাসী কর্মীরা সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন।
বেবিচকের এক বার্তায় জানানো হয়, বুধবার পর্যন্ত সরাসরি ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১৭টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ১০টি, রিয়াদ এয়ারওয়েজের সাতটি এবং সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের পাঁচটি ফ্লাইট বাতিল বা স্থগিত হয়েছে।
এ ছাড়া ভারতসহ পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশে বিরতি দিয়ে সৌদি আরবে যাতায়াতকারী এয়ারলাইন্সগুলোর ফ্লাইটও ব্যাহত হয়েছে। এসব ট্রানজিট ফ্লাইটের মধ্যে ইন্ডিগো এয়ারলাইন্সের ২২টি, এমিরেটসের ১১টি, কাতার এয়ারওয়েজের ছয়টি, ফ্লাই দুবাইয়ের ছয়টি, সালাম এয়ারের চারটি এবং ইজিপ্ট এয়ারের একটি ফ্লাইট রয়েছে।
সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সসহ অন্যান্য সংস্থা যাত্রীদের বিকল্প বিমানবন্দরে নামানো এবং টিকিট পরিবর্তনের ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।
রিয়াদ ও দাম্মামে ফ্লাইট চলাচল ব্যাহত
ঢাকা থেকে সৌদি আরবের রিয়াদ, দাম্মাম, মদিনা ও জেদ্দা—এই চার গন্তব্যে সরাসরি এবং ট্রানজিট রুটে ফ্লাইট চলাচল করে। এর মধ্যে রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বন্ধ রয়েছে। দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও ফ্লাইট চলাচল ব্যাহত হয়েছে; অনেক ফ্লাইট বাতিল ও স্থগিত করা হয়েছে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স রিয়াদ ও দাম্মামগামী ফ্লাইট ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত করেছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে, মদিনার প্রিন্স মোহাম্মদ বিন আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং সেখান থেকে ফ্লাইট চলাচল করছে। জেদ্দার কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সপ্তাহের শুরুতে কিছুটা বিঘ্ন ঘটলেও বর্তমানে উড়োজাহাজের উড্ডয়ন ও অবতরণ চালু রয়েছে।
ফ্লাইট বাতিল ও স্থগিতের কারণে যাত্রীদের যাত্রার সময়সূচি পরিবর্তন করতে হচ্ছে। বিশেষ করে সৌদি আরবে কর্মস্থলে যোগ দিতে যাওয়া প্রবাসী কর্মীদের ভিসার মেয়াদ ও কর্মসংস্থান-সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এস
















