[b]ঢাকা:[/b] নতুন সরকারকে অনৈতিক ও অবৈধ বলে আখ্যা দিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এ সরকারের শপথের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্রের অশুভ সূচনা হলো। এই অগতান্ত্রিক ও স্বৈরতান্ত্রিক পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে এই অবৈধ সরকারকে পদত্যাগ করে সকল দলের অংশগ্রহনের মধ্য দিয়ে একটি সুষ্ঠু, অবাধ নির্বাচনের জন্য নিরপেক্ষ ও নির্দলীয় সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের আহ্বান জানান তিনি।
রোববার সন্ধ্যায় দলের পক্ষে দেয়া এক বিবৃতিতে তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশের জন্য আজ একটি কালো দিন। গণতান্ত্রিক চেতনাকে কবর দিয়ে স্বৈরাতান্ত্রিক একনায়কতন্ত্রের কালিমায় যাত্রা শুরু হলো।
মির্জা আলমগীর বলেন, ‘উদ্ভট, হাস্যকর তথাকথিত মহাজোটের একতরফা ভোটার ও প্রার্থীবিহীন নির্বাচনের সাজানো নাটকের মধ্য দিয়ে জনগনের সমর্থনহীন একটি স্বৈরতান্ত্রিক সরকারের এই দেশের মানুষের ওপর চাপিয়ে দেয়া হলো।’
সরকারের ওপর ৯৫ ভাগের জনগনের সমর্থন নেই মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘বিএনপি যখন দেশে শান্তি ও গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার সংগ্রাম করছে, তখন আওয়ামীলীগ সকল গণতান্ত্রিক রীতিনীতি ও নৈতিকতাকে বিসর্জন দিয়ে স্বৈরতন্ত্রের পথে হাটছে।’
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, ‘বাংলাদেশকে আবার সুপরিকল্পিতভাবে অন্ধকারে নিক্ষেপ করা হলো। বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী স্বাধীনচেতা মানুষ কোনদিনই এই সরকারকে বৈধ সরকার হিসেবে স্বীকৃত দেবে না, মেনেও নেবে না।’
'অবৈধ সরকারের শপথের মাধ্যমে গণতন্ত্রের অশুভ সূচনা হলো'
ঢাকা: নতুন সরকারকে অনৈতিক ও অবৈধ বলে আখ্যা দিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এ সরকারের শপথের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্রের অশুভ সূচনা হলো।
মতভেদ ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ গণতন্ত্রের সৌন্দর্য : রাষ্ট্রপতি
রাজনীতিতে মতপার্থক্য, গঠনমূলক সমালোচনা এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ গণতন্ত্রের স্বাভাবিক ও গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। প্রতিহিংসার রাজনীতি গণতান্ত্রিক পরিবেশের বিকাশে বাধা সৃষ্টি করে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
গণতন্ত্র চর্চার মাধ্যমেই বিকশিত হয় : রাষ্ট্রপতি
গণতন্ত্রকে কার্যকর ও টেকসই করতে নিয়মিত চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, গণতন্ত্র কোনো একদিনে তৈরি হয় না; নিয়মিত চর্চার মধ্য দিয়ে ধাপে ধাপে এটি একটি সংস্কৃতিতে পরিণত হয়।
রাষ্ট্রপতি গণতন্ত্রকে রক্ষা করাটাই এখন সবচেয়ে বড় কাজ
গণতন্ত্রকে রক্ষা করাটাই এখন আমাদের সবচেয়ে বড় কাজ ও দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সিলেট সিটি কর্পোরেশন প্রাঙ্গণে নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে বক্তব্যকালে তিনি এ কথা বলেন।
বিবৃতিতে বিরোধীদলীয় নেতা গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ভুলে গেছে বিএনপি
১৫ সেপ্টেম্বর ‘আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস’ উপলক্ষে সোমবার গণমাধ্যমে দেয়া বিবৃতিতে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, গণতন্ত্র কেবল সরকার গঠনের কোনো সাময়িক প্রক্রিয়া নয়, বরং এটি মানুষের মৌলিক অধিকার, সামাজিক ন্যায়বিচার, বাকস্বাধীনতা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রধান ভিত্তি। গণতন্ত্র সুরক্ষিত থাকলে একটি সমাজ স্বৈরাচার, শোষণ ও বৈষম্য থেকে মুক্ত থেকে অগ্রগতির পথে এগিয়ে যেতে পারে।
রাষ্ট্রপতি গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হলে গণমাধ্যমকেও বাঁচাতে হবে
গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হলে গণমাধ্যমকেও বাঁচাতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, গণতন্ত্রের মূল শক্তি হচ্ছে গণমাধ্যম। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও সুশাসনের স্বার্থে গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
















