সাতক্ষীরার কলারোয়া ও কালিগঞ্জ উপজেলায় যৌথবাহিনী অভিযান চালিয়ে ১১ জামায়াত-বিএনপি কর্মীকে আটক করেছে। এর মধ্যে কলারোয়া থেকে ১০ জন ও কালিগঞ্জ থেকে এক শিবির কর্মীকে আটক করেছে যৌথবাহিনী। মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার ভোর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন, কলারোয়া উপজেলার সেবানন্দকাটি গ্রামের আজিবর সরদারের ছেলে জামায়াত কর্মী আব্দুল্লাহ সরদার (৩০), একই উপজেলার গোপনীনাথপুর গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে জামায়াত কর্মী আব্দুর রহমান (৪২), মানিকনগর গ্রামের মৃত হাবিব মোড়লের ছেলে জামায়াত কর্মী মফফার মোড়ল (৪৫), মুরাড়ীকাটি গ্রামের মৃত ওজেদ আলীর ছেলে জামায়াত কর্মী শাহাদাত হোসেন (৪৫), একই গ্রামের শাহজান সরদারের ছেলে জামায়াত কর্মী জাহাঙ্গীর (২৮), আনসার সরদারের ছেলে জামায়াত কর্মী শাহজাহান সরদার (৪৫), সিরাজুল ইসলামের ছেলে জামায়াত কর্মী শরিফুল ইসলাম (২৮), রফিকুল মোড়লের ছেলে জামায়াত কর্মী আব্দুর রহমান, মোজাম সানার ছেলে জামায়াত কর্মী (২০), শাকদহ গ্রামের মৃত সানাউল্লাহ মোড়লের ছেলে বিএনপি কর্মী আব্দুল হামিদ (৪৫) ও কালিগঞ্জ উপজেলার দাতপুর গ্রামের সাজ্জাত হোসেনের ছেলে শিবির কর্মী সাইদ হোসেন (২২)।
সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার চৌধূরী মঞ্জুরুল কবির জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে ১৮ দলের হরতাল-অবরোধে গাছ কাটা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগসহ নাশকতা সৃষ্টির অভিযোগ রয়েছে।
সাতক্ষীরায় ১১ জামায়াত-বিএনপি কর্মী আটক
সাতক্ষীরার কলারোয়া ও কালিগঞ্জ উপজেলায় যৌথবাহিনী অভিযান চালিয়ে ১১ জামায়াত-বিএনপি কর্মীকে আটক করেছে। এর মধ্যে কলারোয়া থেকে ১০ জন ও কালিগঞ্জ থেকে এক শিবির কর্মীকে আটক করেছে যৌথবাহিনী। মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার ভোর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
রাত পোহালেই ভোট,কে জিতবে!জামায়াত না বিএনপি
রাত পোহালেই বহুল আলোচিত ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকা বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও সমর্থকদের মধ্যে শেষ মুহূর্তে চরম উত্তেজনা ও স্নায়ুযুদ্ধ বিরাজ করছে। নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন, ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের তালিকা নিয়ে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগে ভোটের পরিবেশ, প্রশাসনের নিরপেক্ষতা ও সামগ্রিক নিরাপত্তা এখন সর্বমহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
নাহিদ ইসলাম বিএনপি-ছাত্রদলের দুর্দিনের বহু কান্ডারিও ভুক্তভোগী
বিশেষ গোষ্ঠীর হাতে রাজনীতির নিয়ন্ত্রণ চলে যাওয়ায় সারা দেশেই বিএনপি-ছাত্রদলের দুর্দিনের বহু কান্ডারি ভুক্তভোগী হচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। বুধবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা লিখেছেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম তত্ত্বাবধায়ক সরকারে নিজেদের লোক বসানোর পাঁয়তারা করছে বিএনপি
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা পদে নিজেদের পছন্দের ব্যক্তিকে বসানোর জন্য বিএনপি এখন থেকেই পরিকল্পনা করছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে হলে তাদের দেওয়া র্যাঙ্ক চয়েস পদ্ধতির ভিত্তিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের ফর্মুলা বাস্তবায়ন করতে হবে।
নাহিদ আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে আনতে যা যা করা প্রয়োজন, সবই করছে বিএনপি
আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করে দলটিকে ফিরিয়ে আনতে যা যা করা প্রয়োজন, বিএনপি সরকার তাই করছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
বিরোধীদলীয় নেতা বিএনপি নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগের ভোট ভিক্ষা চেয়েছেন
জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আপনারা (বিএনপি) নির্বাচনের সময় নানা কথা বলে আওয়ামী লীগের কাছে ভোট ভিক্ষা চেয়েছেন। শেখ হাসিনা বলেছেন, হাতেপায়ে ধরে ভোট নিলো, এখন বেইমানি করে কেন? তার দলের আরেকজন গডফাদার বলেছেন, কমপক্ষে ৯৫টি আসনে হেরে যাওয়া বিএনপিকে আমরাই ভোট দিয়ে জিতিয়েছি।’















