[b]জেরুজালেম:[/b] ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের প্রধানমন্ত্রী ইসমাইল হানিয়া বলেছেন,ফাতাহ আন্দোলনের সদস্যরা গাজা উপত্যকায় ফিরে আসতে পারেন। তিনি সোমবার গাজায় বলেছেন,"২০০৭ সালে ফাতাহ আন্দোলনের যেসব সদস্য গাজা ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন তারা কোনো পূর্বশর্ত ছাড়াই এ উপত্যকায় ফিরে আসতে পারেন।"
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণ করছে হামাস এবং পশ্চিম তীর শাসন করছে মাহমুদ আব্বাসের নেতৃত্বাধীন ফাতাহ আন্দোলন। দৃশ্যত এই দু’টি ফিলিস্তিনি সংগঠনের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য হানিয়া ফাতাহ’র সদস্যদের গাজায় আসার অনুমতি দিলেন।
হামাসের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হানিয়া আরো বলেন,নিরাপত্তাগত সমস্যা সৃষ্টি করার কারণে যেসব ফাতাহ সদস্যকে গাজায় আটক রাখা হয়েছে তাদের কিছু ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়া হবে। তিনি বলেন,ফিলিস্তিনের বিভিন্ন ফ্রন্টের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার যে প্রতিশ্রুতি আমরা জনগণকে দিয়েছি তারই অংশ হিসেবে এ পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।
হামাস ও ফাতাহ ফিলিস্তিনে একটি অন্তর্বর্তী ঐক্যমত্যের সরকার গঠনের লক্ষ্যে ২০১১ সালে এক সমঝোতায় পৌঁছায়। ওই সমঝোতায় বলা হয়েছিল,সেই অন্তর্বর্তী সরকার ২০১২ সালের মে মাসে গাজা উপত্যকা ও পশ্চিম তীরে আইন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠানের পথ সুগম করবে। কিন্তু সে সমঝোতা কখনোই বাস্তবায়িত হয়নি।
এর আগে ২০০৬ সালের সাধারণ নির্বাচনে জয়লাভ করে হামাস সরকার গঠন করেছিল এবং ইসমাইল হানিয়া গোটা ফিলিস্তিনের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছিলেন। কিন্তু স্বশাসন কর্তৃপক্ষের প্রধান মাহমুদ আব্বাস আমেরিকা ও ইসরাইলের চাপে হানিয়ার সরকারকে বরখাস্ত করেন। তখন থেকে হানিয়া ‘হামাসের প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে শুধুমাত্র গাজা উপত্যকা পরিচালনা করে আসছেন।
ফাতাহ'র জন্য গাজার দরজা খোলা: হামাস
ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের প্রধানমন্ত্রী ইসমাইল হানিয়া বলেছেন,ফাতাহ আন্দোলনের সদস্যরা গাজা উপত্যকায় ফিরে আসতে পারেন। তিনি সোমবার গাজায় বলেছেন,"২০০৭ সালে ফাতাহ আন্দোলনের যেসব সদস্য গাজা ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন
গাজায় ইসরাইলি হামলায় শিশুসহ নিহত ৭
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি হামলায় অন্তত সাত ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দুই শিশু ও এক দম্পতি রয়েছেন। এসব হামলায় আহত হয়েছেন আরও ১০ জন।
গাজায় ইসরাইলি বর্বরতার ৩ বছর হামাস কি পুনরায় গাজা শাসন করতে পারবে?
ইসরাইলে গাজার সাবেক শাসকগোষ্ঠী হামাসের সেই ভয়াবহ হামলার তিন বছর পূর্ণ হলো আজ। ওই হামলার পর বদলে গেছে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি। অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা এখন অনিশ্চয়তার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
জাতিসংঘে ড. খলিলুর রহমান সহায়তা ও সুরক্ষার অভাবে গাজা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে
গাজার চলমান রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে নিহতের সংখ্যা ৭০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে, যার মধ্যে হাজার হাজার নিষ্পাপ শিশু রয়েছে। প্রয়োজনীয় আন্তর্জাতিক সহায়তা ও সুরক্ষার অভাবে পুরো উপত্যকা আজ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি ড. খলিলুর রহমান।
ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট গাজায় নেতানিয়াহু সরকারের গণহত্যার ক্ষত থাকবে প্রজন্মের পর প্রজন্ম
গাজায় ইসরাইলি অভিযানে সৃষ্ট ক্ষত ও মানসিক আঘাত ফিলিস্তিনিদের প্রজন্মের পর প্রজন্ম বয়ে বেড়াতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা।
আল-জাজিরা গাজায় যা ঘটছে তা ভয়াবহ: ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী
গাজায় যা ঘটছে, তা ভয়াবহ বলে জানিয়েছেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড। ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত এক ভিডিওতে তিনি বলেন, গাজার পরিস্থিতি নিয়ে এমন কয়েকজনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন, যারা সেখানে ছিলেন বা এখনো ঘটনাস্থলে রয়েছেন। তাদের কাছ থেকে পরিস্থিতির ভয়াবহতার কথা শুনেছেন তিনি।
















