বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলা সাতক্ষীরার দেবহাটায় যৌথবাহিনীর অভিযানের সময় দু'জন এবং ঝিনাইদহে একজন জামায়াত ও শিবির কর্মীসহ মোট তিনজন নিহত হয়েছে।
পুলিশ বলছে,এরা বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। তবে দেবহাটার জামায়াতের নেতারা বলছেন,জামায়াতকে দমন করতে তাদের কর্মীদের ধরে নিয়ে হত্যা করছে আইন শৃংখলারক্ষাকারী বাহিনী। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করছে স্থানীয় পুলিশ।
অন্যদিকে মানবাধিকার কর্মীরা এ ধরনের ঘটনাকে উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেছেন।
দেবহাটার পুলিশ বলছে রোববার সকালে সেখানে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দু’জন নিহত হয়। দেবহাটা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারক বিশ্বাস জানিয়েছেন,“নিহত ওই দুজন নানা অভিযোগে আগে থেকেই গ্রেফতার ছিলেন। তাদের নিয়ে সকালে যৌথ বাহিনী এক অভিযানে গেলে জামায়াত শিবিরের কর্মীরা তাদের ছিনিয়ে নিয়ে যাবার চেষ্টা চালায় এবং যৌথবাহিনীর উপর বোমা হামলা চালায়।”
সে সময় সেই বোমার স্প্লিনটারে ওই দু'জন নিহত হন বলে মি. বিশ্বাস দাবি করেন।
দেবহাটার জামায়াত নেতারা অবশ্য কোন ধরনের বন্দুকযুদ্ধের কথা অস্বীকার করেছেন। দেবহাটা জামায়াতের সেক্রেটারি নুর মোহাম্মদ বলেন,তাদের কর্মীদের ধরে নিয়ে পরে হত্যা করা হচ্ছে।
তিনি জানান,“আমরা প্রথমে শুনেছিলাম তাদের নিয়ে অভিযানে যাবে যৌথবাহিনী কিন্তু পরে শুনি ফজরের আজানের সময় একজনের বাড়ির সামনে তাদের গুলি করে মেরে রেখে গেছে।”
বন্দুক যুদ্ধের ব্যাপারে পুলিশের বক্তব্যকে তিনি মিথ্যা বলে মন্তব্য করেন। তিনি আরও দাবি করেন,“ইদানীং যাদের ধরা হচ্ছে তাদের মেরে ফেলার পর পুলিশ বন্দুকযুদ্ধ বলে চালিয়ে দিচ্ছে।”
গত ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে মামলার রায় ঘোষণার পর থেকে সহিংস ঘটনার মধ্যে দিয়ে দিন পার করছে সাতক্ষীরা জেলার অধিবাসীরা।
গত মাসের ১৫ তারিখ থেকে সাতক্ষীরার সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে সেখানে অভিযান শুরু করে যৌথবাহিনী। তার পর থেকে এ পর্যন্ত আট জন নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে।
জামায়াত নেতা নুর মোহাম্মদ বলেন,জামায়াতকে দমন করেতে এসব কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
এদিকে পুলিশের বন্দুকযুদ্ধ নিয়ে তার অভিযোগ অস্বীকার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
ওদিকে স্থানীয় জামায়াত শিবির নেতা কর্মীদের মধ্যে এক ধরনের আতংক কাজ করছে। সংবাদমাধ্যমের সাথে কথা বলার ক্ষেত্রেও তার শঙ্কিত।
সাতক্ষীরাসহ বিভিন্ন জেলাগুলোতে বন্দুকযুদ্ধ বা ধরে নিয়ে হত্যার অভিযোগ সম্পর্কে আইন ও সালিশ কেন্দ্রের পরিচালক নুর খান লিটন বলেন,“সাম্প্রতিক কালে সাতক্ষীরা বা অন্যান্য অঞ্চলে বন্দুকযুদ্ধ বা ধরে নিয়ে যাওয়ার যেসব কথা আমরা শুনতে পাচ্ছি,সেটা খুবই উদ্বেগজনক এবং এ ধরনের ঘটনা যখন ঘটে বা মানুষ এ বিষয় নিয়ে যখন আলাপ করে তা গণতন্ত্রের জন্য খুবই ক্ষতিকর।”
তিনি বলেন এই পরিস্থিতির ওপর তারা নজর রাখছেন।(সূত্র: বিবিসি)
[b]ঢাকা: ২৭ জানুয়ারি(টাইমনিউজবিডি)// জেআই[/b]
সাতক্ষীরায় অভিযান মানবাধিকার সংগঠনগুলোর উদ্বেগ
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলা সাতক্ষীরার দেবহাটায় যৌথবাহিনীর অভিযানের সময় দু'জন এবং ঝিনাইদহে একজন জামায়াত ও শিবির কর্মীসহ মোট তিনজন নিহত হয়েছে। পুলিশ বলছে,এরা বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন।
হিউম্যান রাইটস ওয়াচ মানবাধিকার সুরক্ষা প্রশ্নে কথা রাখতে পারেনি বিএনপি
বাংলাদেশে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর মানবাধিকার সুরক্ষা প্রশ্নে বিএনপি সংস্কারের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, ক্ষমতায় যাওয়ার পর তারা সেটি রক্ষা করতে পারেনি। বরং সম্প্রতি এমন তিনটি আইন পাস করা হয়েছে, যা দেশটির মানবাধিকার সুরক্ষা ব্যবস্থাকে আবারও পেছনে ঠেলে দিয়েছে। বুধবার এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)।
সুপ্রিম কোর্টে সীরাতুন্নবী (সা.) মাহফিল অনুষ্ঠিত `মানবাধিকার ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় আইনজীবীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছেে’
সীরাতুন্নবী (সা.) মাহফিল উদযাপন কমিটি সুপ্রিম কোর্ট শাখার উদ্যোগে মঙ্গলবার বিকেলে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির শহীদ শফিউর রহমান মিলনায়তনে সীরাতুন্নবী (সা.) মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবুল হাসনাত মো. আব্দুল হালিম। প্রধান আলোচক ছিলেন বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ মুফতি আলী হাসান উসামা।
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিরোধিতা ফের জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান হলেন তুর্ক
তীব্র কূটনৈতিক জটিলতা এবং যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও রাশিয়ার মতো প্রভাবশালী দেশগুলোর জোরালো বিরোধিতা সত্ত্বেও জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান ভলকার তুর্ক দ্বিতীয় মেয়াদে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। আগামী ১১ অক্টোবর তার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও, তিনি এখন আরও চার বছর এই পদে থাকবেন।
পুনঃপ্রচলন হচ্ছে ফ্যাসিস্ট আ.লীগের আগের আইন বাতিল হলো অন্তর্বর্তী সরকারের মানবাধিকার অধ্যাদেশ
বিরোধী দলের আপত্তির মুখে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) বিল-২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবারের বৈঠকে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বিলটি উত্থাপন করলে তা পাস হয়। এর আগে এনসিপির সংসদ সদস্য (কুমিল্লা-৪) হাসনাত আবদুল্লাহর আপত্তি কণ্ঠভোটে নাকচ হয়। এই বিলটি পাসের ফলে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কালে জারিকৃত অধ্যাদেশ বাতিল হয়ে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কালে প্রণীত ২০০৯ সালের জাতীয় মানবাধিকার আইন পুনঃপ্রচলন হচ্ছে।
















