সম্ভাব্য দ্রুততম সময়ের মধ্যে ফের যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে জেনারালাইজড সিস্টেম অব প্রিফারেন্সেস (জিএসপি) সুবিধা পেতে নন-ক্যাডার থেকে কারখানা পরিদর্শক নিয়োগ দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পাশাপাশি এই বাজারসুবিধা ফিরে পেতে প্রয়োজনীয় অন্যান্য সব পদক্ষেপ গ্রহণেরও নির্দেশ দেন তিনি।
সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে সংশ্লিষ্টদের এ নির্দেশ দিয়ে তা দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ দেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতিসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির বিদেশ সফরের সময় বাংলাদেশের পক্ষে পাওয়া উপহার ও স্মারক সংরক্ষণে একটি তোষাখানা নির্মাণেরও নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বৈঠকে উপস্থিত একাধিক মন্ত্রী জানান, সভায় বাণিজ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন- যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক স্থগিতকৃত জিএসপি সুবিধা পুনরুদ্ধারের জন্য তাদের দেয়া শর্তের মধ্যে ১১টি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। বাকি রয়েছে শ্রমিকদের মানোন্নয়ন এবং গার্মেন্টস পরিদর্শনের জন্য ২০০ জন পরিদর্শক নিয়োগ দেয়া। এই কাজগুলো দ্রুত করা হবে।
গত সপ্তাহে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, জিএসপি ফিরে পেতে কাজ করছে সরকার। এপ্রিল মাসের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া সব শর্ত পূরণ করা হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের অগ্রাধিকারমূলক প্রবেশাধিকার (জিএসপি) সুবিধা ফিরে পেতে ১৭ শর্তের বেশিরভাগ পূরণ করা হয়েছে। এ কারণে আগামী মার্চের মধ্যে এ সুবিধা ফিরে পাওয়ার বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যাবে বলে আশাবাদী শ্রম ও কর্মসংস্থান সচিব মিকাইল শিপার।
তিনি বলেন, এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের জিএসপি সুবিধা ফেরত পেতে তাদের দেয়া শর্তগুলোর বেশিরভাগ পূরণ হয়েছে। শ্রম মন্ত্রণালয় ২০০ কারখানা পরিদর্শক নিয়োগ এবং শ্রম আইন বাস্তবায়নে নীতিমালা প্রণয়নের কাজ করছে। পরিদর্শক নিয়োগে বেশকিছু পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। পরিদর্শক নিয়োগবিধিসহ পদমর্যাদা নির্ধারণ চূড়ান্ত করে পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) অনুমোদন নেয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
তিনি আরো বলেন, শ্রম আইন বাস্তবায়নের নীতিমালার খসড়া প্রণয়ন হচ্ছে। আগামী মার্চে এটি চূড়ান্ত করা যাবে। সব মিলিয়ে আগামী মার্চের মধ্যে সব শর্ত পূরণ সম্ভব হবে। বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক স্বীকৃত শ্রম অধিকার এবং শ্রমিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে না অভিযোগ এনে গত বছরের ২৭ জুন জিএসপি সুবিধা বাতিল করে যুক্তরাষ্ট্র।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, যুক্তরাষ্ট্রকে ১৭ শর্তের অগ্রগতি সম্পর্কে ইতোমধ্যে আমাদের অবস্থান জানানো হয়েছে। জিএসপি সুবিধা স্থগিতের পর সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- গত বছর ১৫ জুলাই শ্রম আইন সংশোধন করে পাস করা। এছাড়া ট্রেড ইউনিয়ন নেতাদের চাকরির নিশ্চয়তা বিধানেরও নির্দেশ দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আগে ছাঁটাই করা ট্রেড ইউনিয়ন নেতাদের চাকরিতে পুনর্বহালের ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
[b]ঢাকা, ১০ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম) // কে বি [/b]
জিএসপি ফিরে পেতে নন-ক্যাডার থেকে কারখানা পরিদর্শক নিয়োগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
সম্ভাব্য দ্রুততম সময়ের মধ্যে ফের যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে জেনারালাইজড সিস্টেম অব প্রিফারেন্সেস (জিএসপি) সুবিধা পেতে নন-ক্যাডার থেকে কারখানা পরিদর্শক নিয়োগ দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পাশাপাশি এই বাজারসুবিধা ফিরে পেতে প্রয়োজনীয় অন্যান্য সব পদক্ষেপ গ্রহণেরও নির্দেশ দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি, তদন্তে কমিটি
প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটির ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে কর্তৃপক্ষ। অভ্যন্তরীণভাবে গঠিত এ তদন্ত কমিটিকে দ্রুত প্রতিবেদন দিতে নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
যান্ত্রিক ত্রুটি সারিয়ে ৫ ঘণ্টা পর ঢাকার উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইট
ককপিটে কারিগরি ত্রুটি দেখা দেওয়ায় প্রায় পাঁচ ঘণ্টা বিলম্বের পর ঢাকার উদ্দেশে উড়াল দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিজি-৩৭৭।
প্রধানমন্ত্রীর ফিরতি ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি
জাপানের টোকিও থেকে ঢাকায় ফেরার পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের উড়োজাহাজে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিয়েছে। এতে ফ্লাইটটির যাত্রা বিলম্বিত হয়েছে।
জাপান সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী
চার দিনের সরকারি সফর শেষে জাপান থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) জাপানের স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ১৮ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ১৮ মিনিট) তাঁকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের নিয়মিত ফ্লাইটটি নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে।
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে ৪ সহযোগিতা স্মারক সই
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফরে দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের উপকূলীয় নিরাপত্তা সক্ষমতা জোরদারে টহল জাহাজ দেওয়ার অনুদান সংক্রান্ত চুক্তিসহ মোট ৪টি সহযোগিতা স্মারক সই হয়েছে। এছাড়া দুটি প্রকল্পে পাওয়া গেছে ৪ হাজার ৬৫৬ বিলিয়ন ইয়েন ঋণের প্রতিশ্রুতি।
















