ঢাকা: আওয়ামীলীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, বিরোধী পক্ষের অনেক বাধা আর সহিংস ঘটনার পরেও এই নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়েছে। এই নির্বাচন দ্বারা গণতন্ত্রের বিজয় হয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।
দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সময়সীমা শেষ হওয়ার পর সাংবাদিকদের সাথে এক তাৎক্ষণিক সংবাদ সম্মেলনে এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন তিনি।
তিনি বলেন, আ্ওয়ামীলীগ সভা নেত্রী শেখ হাসিনার আহ্বানের পরেও বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট নির্বাচন বয়কট করেছে। আমাদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়েছে। তবুও তাদের নির্বাচনে আনা যায় নি।
আওয়ামীলীগ সংবিধানের উপর শুদ্ধাশীল। তাই সংবিধান রক্ষার স্বার্থে একটা সুষ্টু নির্বাচনের প্রয়োজন ছিল। তাই নির্বাচনের আয়োজন করা হয়েছে।
তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে প্রশ্ন রেখে বলেন, আপনারা দেখেছেন, ভোট বিরোধীরা কিভাবে সহিংসতা চালিয়েছে। এখনও চালাচ্ছে।
তাদের সবাইকে তিনি গণতন্ত্র বিরোধী আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, তারা দেশে ব্যাপক সহিংসতা চালিয়ে নির্বাচনকে বানচালের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। এসময় তিনি দাবি করেন বলেন, দেশের আওয়ামীলীগ প্রিয়, গণতন্ত্র প্রিয় মানুষের সহযোগীতায় নির্বাচন হয়েছে। জনগণ নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করে বিএনপি-জামায়াতকেই বর্জন করেছে।
তিনি সংবাদ সম্মেলনে দাবি করে বলেন, আওয়ামীলীগ নির্বাচনকালীন সরকারের দায়িত্বে থেকে যথাযথ ভূমিকা পালনের চেষ্টা করেছে। কিন্তু বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোট হরতাল দিয়ে অবরোধ দিয়ে এই নির্বাচনকে প্রতিহত করার অপচেষ্টা করেছে। তারা মায়ের কোল খালি করেছে। তারা শিশু বাচ্চা এমনকি খেটে খাওয়া মানুষ, গরুর গাড়ী পর্যন্ত তারা আগুন দিয়ে পুড়িযেছে।
তিনি দাবি করে বলেন, ক্ষমতায় যাবার আগেই জামায়াতকে সাথে নিয়ে বিএনপি সারাদেশে এধরণের নাশকতার কাজ করছে। কিন্তু এই নির্বাচনে সাধারণ মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে বিরোধীদের উচিত জবাব দিয়েছে।
তিনি বলেন, বিদেশী পর্যবেক্ষক এই নির্বাচন পর্যবেক্ষণে এসেছেন। দক্ষিণ এশিয়ার পর্যবেক্ষক দল এই নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ বলেছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
তিনি দাবি করে বলেন, সরকার কোথাও নির্বাচনী কেন্দ্রে হট্টোগোল করেনি। আমরা সরকারের গোয়েন্দা বিভাগকে অনুরোধ করেছি যেখান যেই নির্বাচন বানচালের জন্য চেষ্টা করবে সেখানেই প্রতিরোধ করতে। তারাও সরকারকে সর্বোতভাবে সহযোগিতা করেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
আওয়ামীলীগের এই প্রেসিডিয়াম সদস্য আরও বলেন, বিরোধী পক্ষের সকল চক্রান্ত বানচাল হয়েছে। তিনি এই নির্বাচনকে গণতান্ত্রিক বিজয় আখ্যা দেন।
দেশবাসীর প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে এই তোফায়েল আহমেদ বলেন, ইনশাল্লাহ যারা বিজয়ী ঘোষিত হবে তাদের মাধ্যমে আগামী দিনে সংসদ ও সরকার গঠন করা হবে।
এই নির্বাচনে গণতন্ত্রের বিজয় হয়েছে: তোফায়েল
আওয়ামীলীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, বিরোধী পক্ষের অনেক বাধা আর সহিংস ঘটনার পরেও এই নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়েছে। এই নির্বাচন দ্বারা গণতন্ত্রের বিজয় হয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সময়সীমা শেষ হওয়ার পর সাংবাদিকদের সাথে এক তাৎক্ষণিক সংবাদ সম্মেলনে এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন তিনি।
মতভেদ ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ গণতন্ত্রের সৌন্দর্য : রাষ্ট্রপতি
রাজনীতিতে মতপার্থক্য, গঠনমূলক সমালোচনা এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ গণতন্ত্রের স্বাভাবিক ও গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। প্রতিহিংসার রাজনীতি গণতান্ত্রিক পরিবেশের বিকাশে বাধা সৃষ্টি করে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
গণতন্ত্র চর্চার মাধ্যমেই বিকশিত হয় : রাষ্ট্রপতি
গণতন্ত্রকে কার্যকর ও টেকসই করতে নিয়মিত চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, গণতন্ত্র কোনো একদিনে তৈরি হয় না; নিয়মিত চর্চার মধ্য দিয়ে ধাপে ধাপে এটি একটি সংস্কৃতিতে পরিণত হয়।
রাষ্ট্রপতি গণতন্ত্রকে রক্ষা করাটাই এখন সবচেয়ে বড় কাজ
গণতন্ত্রকে রক্ষা করাটাই এখন আমাদের সবচেয়ে বড় কাজ ও দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সিলেট সিটি কর্পোরেশন প্রাঙ্গণে নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে বক্তব্যকালে তিনি এ কথা বলেন।
বিবৃতিতে বিরোধীদলীয় নেতা গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ভুলে গেছে বিএনপি
১৫ সেপ্টেম্বর ‘আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস’ উপলক্ষে সোমবার গণমাধ্যমে দেয়া বিবৃতিতে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, গণতন্ত্র কেবল সরকার গঠনের কোনো সাময়িক প্রক্রিয়া নয়, বরং এটি মানুষের মৌলিক অধিকার, সামাজিক ন্যায়বিচার, বাকস্বাধীনতা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রধান ভিত্তি। গণতন্ত্র সুরক্ষিত থাকলে একটি সমাজ স্বৈরাচার, শোষণ ও বৈষম্য থেকে মুক্ত থেকে অগ্রগতির পথে এগিয়ে যেতে পারে।
রাষ্ট্রপতি গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হলে গণমাধ্যমকেও বাঁচাতে হবে
গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হলে গণমাধ্যমকেও বাঁচাতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, গণতন্ত্রের মূল শক্তি হচ্ছে গণমাধ্যম। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও সুশাসনের স্বার্থে গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
















