ঢাকাসহ আশপাশের কয়েকটি এলাকায় চলছে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। অফিস মুখী চলাচল করা মানুষের শরিরে বিলিয়ে দিচ্ছে হালকা শীতের মিষ্টি পরশ। শনিবার দিনগত রাতে ধারণ করা আবহাওয়া অধিদপ্তরের সবশেষ রেকর্ড অনুযায়ী রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও সিলেট বিভাগে হালকা মেঘ পরিলক্ষিত হচ্ছে। এসব মেঘের প্রভাবে বিভাগ গুলোতে বিক্ষিপ্তভাবে হালকা বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
পাল্টে গেলো প্রকৃতি। প্রকৃতির আপন চলনে দু’দিন আগে এসেছে ঋতুরাজ বসন্ত। শিমুল-পলাশ-রাধাচূড়ার রক্তআগুনে উছলে পড়েছে ফাগুন। শাখে শাখে পাখির ডাক কচি পাতার আড়াল ভেঙে।
শনিবার বিকেল থেকে উত্তরী হাওয়া জানান দিচ্ছিল বিদায়ী শীতের। দিনটা ছিল মেঘলা। সন্ধ্যা পেরুতেই টুপটাপ বৃষ্টি নামে শীতে অনেকটা রুক্ষ হয়ে যাওয়া ঢাকার উঠোনে। বসন্তের প্রথম বৃষ্টি। যদিও উত্তরবঙ্গের রংপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, পঞ্চগড়, নাটোরসহ কয়েকটি জেলায় বৃষ্টি এবং হিম বাতাস বইছে শুক্রবার রাত থেকেই।
শনিবার দিনগত রাতে শ্রাবণের মতো মাঝে মধ্যে ছেদ পড়লেও শেষ রাত পর্যন্ত অঝরে ঝরেছে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। ঢাকার রাজপথ স্নাত শীতল জলে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ফেব্রুয়ারি মাসে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা থাকলেও দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে বিদ্যমান মৃদু শৈত্য প্রবাহ (০৮ থেকে ১০০ সে.) ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
মাসের প্রথমার্ধে দেশের নদ-নদীর অববাহিকা ও অন্যত্র সকালের দিকে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা এবং মাসের শেষের দিকে দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে কয়েকদিন বজ্রঝড়সহ বৃষ্টিপাতেরও আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
দিন ও রাতের তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাবে।
অন্য বিভাগগুলো মেঘমুক্ত থাকলেও রোববার সারাদেশের আকাশ আংশিক মেঘলাসহ বিক্ষিপ্তভাবে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
[b]ঢাকা, ১৬ ফেব্রুয়ারি (টাইম নিউজবিডি.কম)//এএইচ[/b]
গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি
ঢাকাসহ আশপাশের কয়েকটি এলাকায় চলছে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। অফিস মুখী চলাচল করা মানুষের শরিরে বিলিয়ে দিচ্ছে হালকা শীতের মিষ্টি পরশ। শনিবার দিনগত রাতে ধারণ করা আবহাওয়া অধিদপ্তরের সবশেষ রেকর্ড অনুযায়ী রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও সিলেট বিভাগে হালকা মেঘ পরিলক্ষিত হচ্ছে। এসব মেঘের প্রভাবে বিভাগ গুলোতে বিক্ষিপ্তভাবে হালকা বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আরও শক্তিশালী রূপ নিয়েছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, যে প্রভাব পড়তে পারে বাংলাদেশে
বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ আরও শক্তিশালী হয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টি বর্তমানে পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এর প্রভাবে দেশের চার সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রাকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড় অর্ণব অতিপ্রবল হয়ে অন্ধ্র উপকূলে আঘাত হানতে পারে বুধবার
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ আরও শক্তিশালী হয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। এরপর আগামী বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করতে পারে ঘূর্ণিঝড়টি। এদিকে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে দেশের চার সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ, ঘূর্ণিঝড়ের নাম হতে পারে ‘অর্ণব’
পূর্বমধ্য ও সংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত নিম্নচাপটি ঘনীভূত হয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে এর নাম হবে ‘অর্ণব’, যা প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ।
বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ রূপ নিতে পারে ঘূর্ণিঝড়ে
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি আরও ঘনীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। এর প্রভাবে রোববার (২৫ অক্টোবর) থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়াবিদদের ধারণা, ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিলে এটি ভারতের ওড়িশা অথবা অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আঘাত হানতে পারে।
বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা, ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস বাংলাদেশে
মধ্য বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি ক্রমে শক্তিশালী হচ্ছে। আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে এটি নিম্নচাপ, গভীর নিম্নচাপ পেরিয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। প্রাথমিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের পূর্ব উপকূলে আঘাত হানতে পারে। বাংলাদেশে সরাসরি আঘাত হানার আশঙ্কা আপাতত কম থাকলেও এর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে।
















