গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন নাঈমুর রহমান নাঈম, সিরাজুল ইসলাম, রমজান আলী ও শরীফ মিজান। তাদের বিরুদ্ধে শিবির কর্মী মো. আহসান হাবিব হারাগাছ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক মাস আগে অনুষ্ঠিত একটি ধর্মীয় মাহফিলে জিকিরের সময় অংশগ্রহণকারীদের আচরণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করা একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে মতবিরোধের সৃষ্টি হয়। সেই বিরোধের জের ধরে রোববার সন্ধ্যায় হারাগাছ থানার টসার বাজার এলাকার বাঁধসংলগ্ন স্থানে হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী আহসান হাবিবের দাবি, অভিযুক্তদের একজন আলোচনা করার কথা বলে তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। পরে সেখানে আগে থেকেই অবস্থান নেওয়া কয়েকজন ব্যক্তি তাকে ঘিরে ধরে। মন্তব্যের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের নামে তাকে গালিগালাজ ও হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

আহসান জানান, একপর্যায়ে তিনি প্রতিবাদ করলে উপস্থিত ব্যক্তিরা সংঘবদ্ধভাবে তার ওপর হামলা চালায়। এতে তিনি আহত হন। এছাড়া হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র প্রদর্শন করে ভয়ভীতি দেখিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তার চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করেন। পরে এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।

অভিযোগপত্রে নাঈমুর রহমান নাঈম, সিরাজুল ইসলাম, রমজান আলী, শরীফ মিজান, নিফাত বাবু ও আনোয়ার হোসেনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি আরও কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তিকেও অভিযুক্ত করা হয়েছে।

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহলের অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মতপার্থক্যকে কেন্দ্র করে বাস্তব জীবনে সহিংসতার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, অনলাইন মতবিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘাতের এমন ঘটনা সামাজিক সহনশীলতার জন্য উদ্বেগজনক বার্তা বহন করে।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কার্যক্রম চলছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এস