মামলার বাদী শিশুটির চাচা রেজাউল মৃধা ও শিশুর মা রুমি বেগম জানান, উপজেলার সব্দালপুর ইউনিয়নের নোহাটা উত্তরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মিজানুর রহমান টিটো বেশ কিছুদিন ধরেই তার কন্যা ও ওই প্রতিষ্ঠানের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে উত্যক্ত করে আসছিল।

এরই এক পর্যায়ে গত ৩০ এপ্রিল বুধবার ১টা ২০ মিনিটের সময় শ্রেণি শিক্ষক মিজানুর রহমান টিটো ভবনের দ্বিতীয়তলায় চতুর্থ শ্রেণির বাংলা ক্লাস নিচ্ছিলেন। ক্লাস চলাকালীন সময়ে ওই শিক্ষকের অনুমতি নিয়ে উক্ত ছাত্রী বাথরুমে গেলে শ্রেণি শিক্ষক টিটো ও বাথরুমে প্রবেশ করে,এক পর্যায়ে ঐ ছাত্রীকে মুখ চেপে ধরে শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত লাগায়। সেখানে ঐ ছাত্রীকে জোর করে ধর্ষণ করতে গেলে শিক্ষার্থী দৌড়ে ক্লাস রুমে চলে আসে। এ ঘটনার পর শিশুটি বাড়ি ফিরে উক্ত শিক্ষকের অনৈতিক কর্মকান্ডের বিষয়টি তার মাকে জানায়।

শিশুটির মা গণমাধ্যমকে জানান, বিষয়টি জানার পর তার দেবর অর্থাৎ শিশুটির চাচা রেজাউল মৃধাকে সাথে নিয়ে শ্রীপুর থানায় আসেন এবং শিশুটির চাচা রেজাউল মৃধা বাদী হয়ে উক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্রীপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে শ্রীপুর থানা পুলিশ প্রাথমিকভাবে এলাকায় খোজ-খবর নিয়ে ঘটনার সত্যতা পেয়ে ২ মে শুক্রবার রাতে শ্রীপুর থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করেন। এমন চরিত্রহীন শিক্ষকের সুষ্ঠু বিচারের দাবিও করেন তিনি।

এবিষয়ে শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইদ্রিস আলী বলেন, বাদীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে উক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১০ ধারা মোতাবেক থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। যার মামলা নং- ০৩,তাং- ০২-০৫-২০২৫। তবে, পরবর্তিতে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

এবিষয়ে শ্রীপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ আব্দুর রশীদ বলেন, তিনি খুলনাতে ট্রেনিংয়ে থাকার কারণে ঘটনা সম্পর্কে কিছুই জানেন না। তবে,শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রী শ্লীলতারহানীর কোন অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এমএম