ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীরা অনলাইন, এসএমএস এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্ধারিত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফল জানতে পারবেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ শাখা জানিয়েছে, ফল প্রকাশের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পরপরই তা অনলাইনে উন্মুক্ত করা হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোনেও এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানার সুযোগ থাকবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, যেকোনো মোবাইল অপারেটর (টেলিটক, গ্রামীণফোন, রবি, এয়ারটেল ও বাংলালিংক) থেকে মোবাইলের মেসেজ অপশনে DPE লিখে একটি স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠালে ফিরতি এসএমএসে শিক্ষার্থীর নাম ও ফলাফল জানা যাবে। উদাহরণ হিসেবে, কোনো শিক্ষার্থীর রোল নম্বর ১২৩৪৫৬ হলে লিখতে হবে DPE 123456 এবং পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে।

এছাড়া ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিস্তারিত ফলাফল দেখতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আইপিইএমআইএস (IPEMIS) ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। সেখানে ‘প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা’ অপশন নির্বাচন করে শিক্ষার্থীর রোল নম্বর, জেলা ও উপজেলার তথ্য দিয়ে ‘সাবমিট’ বা ‘ফল দেখুন’ বাটনে ক্লিক করলে মার্কশিটসহ ফলাফল দেখা যাবে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার ফল প্রকাশের কথা থাকলেও চূড়ান্ত অনুমোদন প্রক্রিয়া শেষ না হওয়ায় তা স্থগিত করা হয়।

এমনিতেই নীতিমালা নিয়ে আইনি জটিলতা, পরীক্ষা পিছিয়ে যাওয়া এবং ফল প্রকাশে দীর্ঘ বিলম্বের কারণে শুরু থেকেই আলোচনায় ছিল প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা। এর মধ্যে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগেই ঢাকা বিভাগের নয়টি জেলার ফল অনলাইনে উন্মুক্ত হয়ে যাওয়ার ঘটনায় নতুন করে ‘ফল ফাঁস’ বিতর্কের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয় এবং বিষয়টি নিয়ে তদন্তও শুরু হয়।

প্রাথমিকভাবে মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে ফল প্রকাশের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। পরে ঈদুল ফিতরের আগে, এরপর ঈদের পরে এবং সর্বশেষ জুন মাসের মধ্যে ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করা হলেও প্রতিবারই তা পিছিয়ে যায়। দীর্ঘ অপেক্ষার পর ৯ জুলাই ফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও শেষ মুহূর্তে ফল আগাম উন্মুক্ত হওয়ার নজিরবিহীন ঘটনায় সেটিও স্থগিত করা হয়। সব জটিলতা কাটিয়ে অবশেষে আজ আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করা হচ্ছে।

এনএইচ