‘সংবিধান বাঁচাও, ওয়াক্ফ বাঁচাও’ শীর্ষক এই জনসমাবেশে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় কংগ্রেস, ভারত রাষ্ট্র সমিতি, ওয়াইএসআর কংগ্রেস পার্টি এবং দ্রাবিড় মুনেত্র কড়গমসহ একাধিক রাজনৈতিক দলের সদস্যরা। এআইএমআইএমর সদর দপ্তর দারুসসালামে আয়োজিত সমাবেশ থেকে আগামী ৩০ এপ্রিল রাত ৯টায় ঘরে ঘরে আলো নিভিয়ে ‘বাত্তি গুল’ প্রতীকী প্রতিবাদ পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়।
সমাবেশে এআইএমআইএম প্রধান ও হায়দরাবাদের সংসদ সদস্য আসাদউদ্দিন ওয়াইসি বলেন, আমরা মাথানত করবো না। যারা আমাদের মুছে দিতে চায়, আমরা তাদেরই মুছে দেবো।
তিনি বলেন, সংসদে আমি যে আইন ছিঁড়ে ফেলেছিলাম, তা শুধু মুসলিমদের পক্ষেই নয়, বরং সব ধর্মের মানুষের হয়ে কাজটি করেছিলাম। এই ধরনের দমনমূলক আইনে সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।
সমাবেশে এআইএমপিএলবির সভাপতি মৌলানা খালেদ সাইফুল্লাহ রহমানি বলেন, আমরা আদালতের ওপর আস্থা রাখি। আমরা বিশ্বাস করি, এই আইনের ওপর স্থগিতাদেশ আসবে।
তিনি অভিযোগ করেন, এই আইন ওয়াক্ফ সম্পত্তি পুনরুদ্ধারকে প্রায় অসম্ভব করে তুলেছে। তার মতে, আইনটি কার্যকর হলে মুসলিমরা নিজেদের জমির ওপরও ‘ভিজিটর’ হয়ে পড়বে। ‘মক্কা মসজিদ থেকে যেকোনো মসজিদকেই ওয়াক্ফ নয় বলে ঘোষণা করা যেতে পারে। ভেতরে ঢুকে কেবল দর্শনার্থীর মতো দেখা যাবে। কত ভয়ংকর এই আইন!’
এফএইচ