শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
নেবেনজিয়া বলেন, জার্মানি ও পশ্চিমের কয়েকটি দেশ ইতোমধ্যে ইউক্রেনকে সমর্থনের মাধ্যমে যুদ্ধে জড়িয়েছে। টরাস মিসাইল সরবরাহ সংঘাত আরও বাড়ানোর পথকেই প্রশস্ত করবে। ৫০০ কিলোমিটারের বেশি পাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্র সুরক্ষিত লক্ষ্যবস্তু ধ্বংসে উচ্চনির্ভুল বলে পরিচিত।
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা ব্যর্থ হলে সামরিক হস্তক্ষেপের মার্কিন হুমকি প্রসঙ্গে নেবেনজিয়া বলেন, ওয়াশিংটন প্রকাশ্যে রাজনৈতিক সমাধান চাইলেও তাদের ভিন্ন এজেন্ডা থাকতে পারে।
যুদ্ধবিরতি প্রসঙ্গে রাশিয়ার অবস্থানের বিষয়ে তিনি বলেন, গত ১৮ মার্চ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফোনালাপে শক্তি খাতের অবকাঠামোয় আংশিক যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব উঠলেও ইউক্রেন তা মানেনি। তার দাবি, রাশিয়া এই প্রস্তাব মেনে চললেও ইউক্রেন ১২০টির বেশি হামলা চালিয়েছে, যার মধ্যে রাশিয়ার শক্তি সুবিধাও লক্ষ্যবস্তু ছিল।
নেবেনজিয়া বলেন, এমন পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতির কথা ভাবাই অবাস্তব। পাশাপাশি, ইউরোপীয় দেশগুলোর প্রতি তিনি ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ইউরোপ শান্তি চায় না, তারা ইউক্রেনকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
এনএইচ