ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা ইরনার বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে তুর্কি বার্তাসংস্থা আনাদোলু।
পেজেশকিয়ান বলেছেন, যুদ্ধ যেমন কোনও সমাধান নয়, তেমনি নতুন করে সংঘাত শুরু হতে পারে—এমন অনিশ্চয়তাও ইরানের অর্থনীতির ক্ষতি করছে। তাই দেশের শক্তি অক্ষুণ্ন রেখে এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি।
পেজেশকিয়ান বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসা এবং এমন একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর বিষয়ে ইরানের কর্মকর্তারা প্রায় প্রতিদিনই আলোচনা করছেন। তবে সেই সমঝোতায় ইরানের নীতি ও মূল্যবোধ অক্ষুণ্ন থাকতে হবে এবং ভবিষ্যতে প্রতিপক্ষরা যাতে আবার হামলার কথা চিন্তা না করে, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি বলেন, ‘যুদ্ধ কোনও সমস্যার সমাধান নয়। আবার যুদ্ধ শুরু হতে পারে কি না—এমন দীর্ঘস্থায়ী অনিশ্চয়তাও ইরানের অর্থনীতির ওপর চাপ তৈরি করছে।’
পেজেশকিয়ান সতর্ক করে বলেন, ‘নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ার আশঙ্কা থাকলে ইরানে বিনিয়োগ আকর্ষণ করা কঠিন হবে। তাই ইরানের শক্তি বজায় রেখেই যৌক্তিক অবস্থান গ্রহণের মাধ্যমে বর্তমান পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।’
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্প্রতি হওয়া একটি সমঝোতা স্মারকেরও পক্ষে সাফাই দেন ইরানের প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, ওই সমঝোতায় আত্মসমর্পণের মতো কোনও শর্ত নেই এবং তেহরানকে কোনও ছাড় দেয়ার কথাও বলা হয়নি।
পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতায় গত জুনে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র ওই সমঝোতা স্মারকে সই করে। এর মাধ্যমে ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া দুই দেশের সংঘাতের অবসান ঘটে এবং চূড়ান্ত একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
তবে সমঝোতা বাস্তবায়ন এবং বিশ্বজুড়ে তেল ও গ্যাস রপ্তানির জন্য গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ব্যবস্থা নিয়ে মতবিরোধের কারণে পরে আলোচনা থমকে যায়।
এনএইচ