বাকি বিমানবন্দরগুলো হলো কোলন-বন, ড্যুসেলডর্ফ, স্টুটগার্ট, ডর্টমুন্ড, হানোফার, ব্রেমেন, হামবুর্গ, বার্লিন ও লাইপজিশ-হালে। ফ্রাঙ্কফুর্ট বিমানবন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ফ্রাপোর্টের অধিকাংশ কর্মী ধর্মঘটে যোগ দিতে পারেন বলে জানা গেছে।

সরকারি কর্মীদের জন্য নতুন মজুরি চুক্তির বিষয়ে দ্বিতীয় দফা আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর এই ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়।

প্রায় ২৫ লাখ সরকারি কর্মচারীর বেতন আট শতাংশ বৃদ্ধি, বোনাসের পরিমাণ বাড়ানো ও অতিরিক্ত তিন দিনের ছুটি দাবি করছে ভ্যার্ডি। তবে স্থানীয় পৌর কর্তৃপক্ষ ও কেন্দ্রীয় সরকার বলছে, এই দাবি পূরণ আর্থিকভাবে সম্ভব নয়।

গত সপ্তাহেও জার্মানির কয়েকটি বিমানবন্দরে ধর্মঘট পালিত হয়েছে। এছাড়া, স্বাস্থ্য খাতের ২০ হাজার কর্মী বৃহস্পতিবার ধর্মঘটে অংশ নেন। আর শুক্রবার কিন্ডারগার্টেন কর্মীরাও ধর্মঘট করেন।

এই সংকট নিরসনে তৃতীয় দফার আলোচনা আগামী সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, জার্মানির প্রধান প্রধান বিমানবন্দরে ধর্মঘটের ডাক দেওয়ায় পাঁচ লাখের বেশি বিমানযাত্রী ভোগান্তি পড়বেন। এছাড়া বিমানের হাজার হাজার ফ্লাইট ইতোমধ্যে বাতিল করা হয়েছে।

এনএইচ