তবে, এদের মধ্যে আশ্রয় মঞ্জুরির হার অত্যন্ত কম, মাত্র ৩ দশমিক ৯ শতাংশ। ইউরোপের আশ্রয় সংস্থা ইউরোপীয় ইউনিয়ন এজেন্সি ফর অ্যাসাইলাম (ইইউএএ) সম্প্রতি প্রকাশিত এক পরিসংখ্যানে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৩ সালে বাংলাদেশের আশ্রয় প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ৪০ হাজার ৩৩২ জন, যা ২০২৪ সালে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়ে ৪৩ হাজার ২৩৬ জনে পৌঁছেছে। তবে, এই বৃদ্ধির পেছনে কারণ হিসেবে কোনো নির্দিষ্ট তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।

বিশেষ করে, ইতালিতে আশ্রয় প্রার্থীদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বছর সেখানে ৩৩ হাজার ৪৫৫ জন বাংলাদেশি আশ্রয় চেয়েছেন, যা ২০২৩ সালে ছিল ২৩ হাজার ৪৪৮ জন। ইতালিতে বাংলাদেশি আশ্রয় প্রার্থীদের সংখ্যা মোট আবেদনকারীদের মধ্যে ২১ শতাংশ।

অন্যদিকে, ফ্রান্সে বাংলাদেশি আশ্রয় প্রার্থীর সংখ্যা কমেছে। ২০২৩ সালে সেখানে ১০ হাজার ২১৫ জন আবেদন করেছিলেন, কিন্তু ২০২৪ সালে তা কমে ৬ হাজার ৪২৯ জনে দাঁড়িয়েছে। গ্রিসে, ২০২৩ সালে ৬৪০ জন বাংলাদেশি আবেদন করেছিলেন, কিন্তু গত বছর তা বেড়ে এক হাজার চার জনে পৌঁছেছে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, গত বছর বাংলাদেশি আশ্রয়প্রার্থীদের মধ্যে প্রায় চার শতাংশকে আশ্রয় প্রদান করা হয়েছে, যা মোট আবেদনকারীদের মধ্যে সর্বনিম্ন। তুলনামূলকভাবে, সিরিয়া থেকে আসা আশ্রয়প্রার্থীদের মধ্যে ৯০ শতাংশ এবং আফগানিস্তানের আবেদনকারীদের মধ্যে ৬৩ শতাংশকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে।

এমএম

এছাড়া, প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছর ইউরোপীয় ইউনিয়ন, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ডে ১০ লাখের বেশি লোক আশ্রয়ের জন্য আবেদন করেছেন, যা আগের বছরের তুলনায় ১১ শতাংশ কম। জার্মানিতে ২ লাখ ৩৭ হাজার লোক আবেদন করেছেন, যা আগের বছরের তুলনায় ২৯ শতাংশ কম। জার্মানির পর স্পেন, ইতালি ও ফ্রান্সে প্রতিটি দেশে এক লাখ ৬০ হাজার আশ্রয়প্রার্থী আবেদন করেছেন।