সোমবার (১০ আগস্ট) বিকেলে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে খসড়াটির অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মানবাধিকার সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও নিশ্চিতকরণ রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য। একই সঙ্গে জাতিসংঘের সর্বজনীন মানবাধিকারের ঘোষণা এবং মানবাধিকারবিষয়ক বিভিন্ন আন্তর্জাতিক আইন, সনদ ও চুক্তি বাস্তবায়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকার রয়েছে। এ কারণে একটি কার্যকর ও স্বাধীন মানবাধিকার কমিশন গঠনের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত আইনে একজন চেয়ারপার্সন ও চারজন কমিশনার নিয়ে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। কমিশনে অন্তত একজন নারী সদস্য থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

এ ছাড়া কমিশনের সদস্য বাছাইয়ে নৃ-গোষ্ঠী ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর যোগ্য প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।

বাছাই কমিটিতেও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, নাগরিক প্রতিনিধি এবং নৃ-গোষ্ঠী বা সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

নতুন আইনের খসড়ায় মানবাধিকার কমিশনের কার্যপরিধি আরও স্পষ্ট করার পাশাপাশি অভিযোগ গ্রহণের প্রক্রিয়া সহজ করার কথা বলা হয়েছে।

তদন্তের ক্ষেত্রে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি কোনো ভুক্তভোগীর তাৎক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বা সম্ভাব্য ক্ষতি ঠেকাতে কমিশনকে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।

জাতিসংঘের ‘নির্যাতনবিরোধী সনদের ঐচ্ছিক প্রটোকল’-এর আলোকে হেফাজতে নির্যাতন, মৃত্যু ও গুম প্রতিরোধে জাতীয় প্রতিরোধ ব্যবস্থা বা এনপিএম ইউনিট গঠনের বিধান যুক্ত করা হয়েছে।

সরকারের মতে, নতুন আইন কার্যকর হলে মানবাধিকার সংরক্ষণ ও নিশ্চিতকরণে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের কার্যক্রম আরও কার্যকর ও স্বাধীনভাবে পরিচালনার সুযোগ তৈরি হবে।

এস