দুদকের উপ-পরিচালক মশিউর রহমানের নেতৃত্বে একটি যৌথ টিম নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ফ্ল্যাট দুটিতে প্রবেশ করে তালিকা তৈরির কাজ শুরু করে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা তানজীর আহমেদ। তিনি জানান, আদালতের নির্দেশে এর আগে রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত ফ্ল্যাট দুটি ক্রোক করা হয় এবং সেগুলোর দেখভালের জন্য একজন রিসিভার নিয়োগ দেওয়া হয়। আদালতের সেই আদেশ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই রিসিভারের দখলে থাকা ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে ভেতরে থাকা সব আসবাবপত্র, মূল্যবান সামগ্রী ও অন্যান্য মালামালের বিস্তারিত তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে।

দুদক জানিয়েছে, গুলশানের একটি বহুতল ভবনের সপ্তম ও একাদশ তলায় অবস্থিত ফ্ল্যাট দুটি বর্তমানে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী রিসিভারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি উপস্থিত না থাকায় নির্বিঘ্নে তালিকা প্রস্তুতের স্বার্থে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে যৌথ টিম গঠন করে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, তালিকা প্রস্তুতের কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হবে। এরপর আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ফ্ল্যাট দুটি এবং সেখানে থাকা সম্পদ-সংক্রান্ত পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

এস