প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান শাংগ্রি-লা হোটেল থেকে মোটর শোভাযাত্রার মাধ্যমে পেরদানা পুত্রা প্রাঙ্গণে পৌঁছান। সেখানে মালয়েশিয়ার সশস্ত্র বাহিনীর একটি সুসজ্জিত দল প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। এ সময় বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশিত হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গার্ড পরিদর্শন করেন।

অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানের পর দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে আনুষ্ঠানিক পরিচয় পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সফরসঙ্গী বাংলাদেশি প্রতিনিধিদলের সদস্যদের মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। একইভাবে আনোয়ার ইব্রাহিম তার মন্ত্রিসভার সদস্য ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে পরিচয় করিয়ে দেন।
পরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পেরদানা পুত্রার পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন। আনুষ্ঠানিকতা শেষে দুই নেতা একান্ত বৈঠকে মিলিত হন, যেখানে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, জনশক্তি রপ্তানি, শিক্ষা, প্রযুক্তি এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে পুত্রজায়ার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখী সড়কের দুই পাশে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার জাতীয় পতাকা শোভা পায়। পুরো এলাকা উৎসবমুখর ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সজ্জিত করা হয়, যা দুই দেশের গভীর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও ক্রমবর্ধমান কৌশলগত সহযোগিতার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এই সফর বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যকার বহুমাত্রিক অংশীদারত্বকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র উন্মোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এমএম