শনিবার (১ আগস্ট) বিকালে রাজধানীর মহাখালী কলেরা হাসপাতালের সামনে ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াত আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে বলব, আপনার মন্ত্রী-মিনিস্টারদের মধ্যে দুর্বলতা আছে। ফ্যাসিবাদের দোসরদের আপনি আদালত থেকে জামিন দিচ্ছেন। ইনক্লুসিভ ইলেকশনের (অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন) মাধ্যমে ফ্যাসিবাদের প্রেতাত্মাদের বাংলাদেশে ঢোকার জন্য ষড়যন্ত্র করছেন। আবার যদি ২৪-এর রক্তাক্ত ইতিহাস সৃষ্টিকারী ফ্যাসিবাদের প্রেতাত্মাকে এই সুযোগ দেন, জনগণ তা মেনে নেবে না।
জুলাই অভ্যুত্থানের রক্তের স্মৃতি দেশের মানুষ ভুলেনি উল্লেখ করে গোলাম পরওয়ার বলেন, কিন্তু ভুলে গিয়েছে সেই জুলাই বিপ্লবের সুবিধাভোগী ক্ষমতাসীন বিএনপি। তা না হলে সংসদে দাঁড়িয়ে বিএনপির এমপিরা কীভাবে বলেন, এত জুলাইয়ের বক্তৃতার দরকার কী? অথচ জুলাইয়ের বিপ্লব না হলে তারা এমপি–মন্ত্রী হতে পারতেন না।
সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, গণভোটের গণরায় কার্যকরের জন্য পার্লামেন্টে সংবিধান সংস্কার পরিষদের আহ্বান করুন। ৮৪টি সংস্কার সম্পন্ন করুন। সংবিধানের তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করুন। তা না হলে রাজনৈতিক, সাংবিধানিক বিতর্ক যদি পার্লামেন্টে নিষ্পত্তি না করেন, আমাদের আর কোনো পথ থাকবে না। ৭০ ভাগ লোকের কাছে রাজপথে তার ফয়সালা হবে।
সমাবেশ শেষে মহাখালী থেকে একটি গণমিছিল বের করা হয়, যা তেজগাঁও তিব্বত মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। সমাবেশের কারণে বিকাল সাড়ে ৪টা থেকে দুইঘণ্টা মহাখালী সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
এনএইচ