তবে সাবেক দেবহাটা উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাবিব মন্টু অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, আলী মোর্তেজা আনারুল হক একজন আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। তার বিরুদ্ধে নানান অনিয়ম এবং মানুষকে হয়রানির অভিযোগ রয়েছে। সাথে সখিপুর ইউনিয়নের চিনেডাঙ্গা গ্রামের জামায়াত কর্মী সিরাজুল হত্যা মামলার আসামি আলী মোর্তেজা আনারুল হক।

জানা গেছে, আলী মোর্তেজা আনারুল হক সাতক্ষীরার দেবহাটা সদর ক্লাবের সভাপতি। তবে ৫ আস্টের পর ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি করা হয়েছে ক্লাবের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হোসেনকে। কিন্তু সেখানেও নিজের প্রভাব খাটি চলছে আলী মোর্তেজা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ক্লাবের এক সদস্য বলেন, ৫ আস্টের পর ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি করা হয়েছে ক্লাবের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হোসেনকে। তবে ক্লাবের বিভিন্ন কার্যক্রমে আলী মোর্তেজার হস্তক্ষেপ রয়েছে। আর যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাবিব মন্টুর ছত্রছায়ায় চলে আলী মোর্তেজা।

এ ছাড়াও ওই ক্লাব সংক্রান্ত বিষয়ে ২০০৪ সালে থানার ভিতরে দেবহাটা সদর ইউনিয়ন পরিষদের তৎকালীন চেয়ারম্যান মো. আবু তালেব বুলবুলকে মারধর করে আব্দুল হাবিব মন্টু। পরবর্তীতে বিএনপি নেতা মো. মোহাব্বত হোসেন এবং চেয়ারম্যানকে ক্লাব থেকে বাহির করে দেয় বলে জানিয়েছেন আবু তালেব বুলবুল।

এর বাহিরে ৪ দলীয় জোট ক্ষমতায় থাকাকালীন আব্দুল হাবিব মন্টুর বিরুদ্ধে এসিল্যান্ড এবং ইউএনওকে মারধর করারও অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মহিউদ্দিন সিদ্দিকী বলেছেন, হত্যা মামলার আসামি আওয়ামী লীগ নেতা আলী মোর্তেজা আনারুল হককের সাথে যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাবিব মন্টুর ভালো ধরনের সখ্যতা রয়েছে।

বিএনপির স্থানীয় নেতারা বলছেন, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। বিশেষ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনা অমান্য করে স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের নেতাকে প্রশ্রয় দেওয়া ঠিক না।

এফএইচ