আটককৃত রুবেল ফরিদপুর জেলার সদরপুর উপজেলার কুষ্টপুর গ্রামের মো. শাহাদত মোল্লার ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার রাতে পৌর সুপার মার্কেটে বায়েজিদের কাপড়ের দোকানের সামনে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন শামিম। এ সময় দুটি মোটরসাইকেলে করে ছয়জন হেলমেট পরিহিত ব্যক্তি ওই দোকানের সামনে এসে দাঁড়ান। তাদের মধ্যে হেলমেট পরা একজন আঙুল উচিয়ে অন্যদের দেখিয়ে দিয়ে বলেন, ইনি শামীম। এরপর হেলমেট পরিহিতরা শামীমকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়তে থাকেন। এ সময় শামীম দোকানে শুয়ে পড়লে গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে প্রাণে বেঁচে যান তিনি।
শামীমের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে হামলাকারীদের ধাওয়া দেন। ওই সময় একটি মোটরসাইকেলযোগে তিনজন হামলাকারী পালিয়ে গেলেও অপর তিনজন দুই চাকার যানটি ফেলে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে ওই তিনজনের মধ্যে একজনকে পিস্তল ও গুলিসহ আটক করেন উত্তেজিত জনতা। পরে তাকে মারধর করে পুলিশে দেওয়া হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী সাংবাদিক দবিরুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার সময় আমি ছাত্রদল নেতা শামীমের পাশে বসা ছিলাম। ভাগ্যক্রমে বেঁচে গেছি।
এ বিষয়ে পাঁচবিবি থানায় ওসি মইনুল ইসলাম বলেন, ‘এক হামলাকারীকে আটক করে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা। পরে পিস্তল ও গুলিসহ হামলাকারীকে থানায় আনা হয়। তাকে অস্ত্র আইনের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।’
এমএম