ম্যাচের ঘড়িতে তখন ৯০ মিনিট পার হয়ে ইনজুরি সময়ের খেলা চলছে। গ্যালারিতে বসা হাজারো দর্শকের চোখে-মুখে যখন অতিরিক্তসময়ের উৎকণ্ঠা, ঠিক তখনই মঞ্চে আবির্ভাব স্টিফেন ইউস্তাকিওর। ম্যাচের ৯২তম মিনিটে ডি-বক্সের ঠিক বাইরে থেকে নেওয়া তার একবুলেটগতির শট দক্ষিণ আফ্রিকার জাল কাঁপিয়ে দেয়।
স্তব্ধ হয়ে যায় প্রোটিয়া শিবির, আর উল্লাসের জোয়ারে ভাসে পুরো সোফি স্টেডিয়াম। ইউস্তাকিওর এই একটি শট কেবল ম্যাচই জেতায়নি, কানাডার ফুটবল ইতিহাসে চিরদিনের জন্য অমর করে দিয়েছে তার নাম।
গোল হওয়ার আগপর্যন্ত পুরো ম্যাচজুড়েই ছিল দুই দলের রক্ষণভাগের চরম ধৈর্যের পরীক্ষা। আক্রমণ-প্রতিআক্রমণে ম্যাচ জমে উঠলেওগোলমুখ খুলতে পারছিল না কেউই। দক্ষিণ আফ্রিকা ও কানাডা উভয় দলই ডিফেন্সে দেখিয়েছে অসাধারণ শৃঙ্খলা। তবে শেষ মুহূর্তেরস্নায়ুযুদ্ধে বাজিমাত করে মাঠ ছাড়ে উত্তর আমেরিকার প্রতিনিধিরাই।
ইতিহাসের পাতায় নতুন অধ্যায় যোগ করা কানাডা এবার কোয়ার্টার-ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে নেদারল্যান্ডস অথবামরক্কোর। আগামী ৪ জুলাই হিউস্টনে অনুষ্ঠিত হবে সেই হাইভোল্টেজ ম্যাচ।
অন্যদিকে, গ্রুপ পর্বে দুর্দান্ত চমক দেখিয়ে নকআউট পর্বে আসা দক্ষিণ আফ্রিকার যাত্রা এখানেই থমকে গেল। হারলেও বিশ্বকাপেরনকআউট পর্বে খেলার দারুণ এক অভিজ্ঞতা নিয়েই দেশে ফিরতে হচ্ছে আফ্রিকান দলটিকে।
এনএইচ