মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর খবর পেয়ে শেষবারের মতো রিফায়াতকে দেখতে ছুটে আসেন স্বজন ও স্থানীয়রা। সন্তান হারানোর শোকে বারবার কান্নায় ভেঙে পড়ছেন তার বাবা আসাদুল হক।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে রিফায়াত ছিলেন মেজো। প্রায় ১০ বছর ধরে তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও আড়াই বছর বয়সী কন্যাসন্তান জুঁইকে রেখে গেছেন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, সেনাবাহিনীতে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি পরিবারের অন্যতম ভরসা ছিলেন রিফায়াত। তার আকস্মিক মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না স্বজনরা। বাবাকে হারানোর বিষয়টি এখনো বুঝতে পারছে না ছোট্ট জুঁই।
বুধবার রাত ৯টার দিকে চট্টগ্রাম সেনানিবাসে রিফায়াতের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে মরদেহ ঢাকায় নেওয়া হয়। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে বৃহস্পতিবার দুপুরে তা গ্রামের বাড়িতে পৌঁছায়।
বৃহস্পতিবার জোহরের নামাজের পর বিন্দারামপুর গ্রামে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। পরে স্থানীয় ও পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে বিন্দারামপুর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
রিফায়াতের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই তার বাড়িতে ভিড় করছেন এলাকার মানুষ। স্বজনদের সান্ত্বনা দেওয়ার পাশাপাশি শেষ বিদায়ে অংশ নিতে অপেক্ষা করছেন তারা।
রিফায়াতের বাবা আসাদুল হক বলেন, সন্তান হারানোর কষ্ট কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তার ছেলে আর কখনো ফিরে আসবে না—এ কথা ভাবতেই পারছেন না তিনি।
ছোট ভাই শামসাদ আহমেদ বলেন, ভাইকে হারিয়ে পুরো পরিবার ভেঙে পড়েছে। আত্মীয়স্বজন ও এলাকার মানুষ তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।
এস
