বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ২টার দিকে পাথরঘাটার দক্ষিণ চরদোয়ানী এলাকার কালিয়ার খালে বনবিভাগের সদস্যদের উপস্থিতিতে অভিযানটি পরিচালনা করা হয়।
বনবিভাগ ও কোস্টগার্ড সূত্রে জানা যায়, পাথরঘাটায় একটি চক্র হরিণ শিকার ও মাংস পাচার করছে—এমন তথ্যের ভিত্তিতে রাত দেড়টার দিকে বনবিভাগকে জানায় কোস্টগার্ড। পরে যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে কালিয়ার খালে একটি কাঠের নৌকায় তল্লাশি করা হয়।
তল্লাশির সময় নৌকা থেকে প্রায় ৪ লাখ ২৪ হাজার টাকা মূল্যের ৩৫০ কেজি হরিণের মাংস, তিনটি চামড়া ও একটি মাথা উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে পাচারে ব্যবহৃত কাঠের নৌকাটি জব্দ এবং ইব্রাহিমকে আটক করা হয়।
আটক ইব্রাহিম পাথরঘাটা উপজেলার দক্ষিণ চরদোয়ানী এলাকার মো. মুনসুর আলীর ছেলে।
পরে উদ্ধার করা মাংস, চামড়া ও মাথাসহ ইব্রাহিমকে বনবিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বিষয়টি পাথরঘাটা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পনির শেখকে জানানো হলে তিনি সামারি ট্রায়ালের মাধ্যমে ইব্রাহিমকে এক বছরের কারাদণ্ড দেন।
একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
আদালতের নির্দেশে উদ্ধার করা হরিণের মাংস মাটিচাপা দিয়ে ধ্বংস করা হয়। আর হরিণের চামড়াগুলো বনবিভাগকে সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পাথরঘাটা বনবিভাগের রেঞ্জ অফিসার মো. সোহাগ খান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, কোস্টগার্ডের তথ্যের ভিত্তিতে বনবিভাগের সদস্যদের উপস্থিতিতে অভিযান চালানো হয়। উদ্ধার করা মাংস জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে মাটিচাপা দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
এস
