শনিবার কিশোরগঞ্জ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে করেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য সাখাওয়াত আলী খান বাবুল ও জনি মিয়া।

সংবাদ সম্মেলনে সাখাওয়াত আলী খান বাবুল অভিযোগ করেন, ২০০৯ সালে তার চাচা মাহবুব আলী খানের কাছ থেকে ৯.৫ শতাংশ বসতভূমি ও দুটি টিনসেড ভবন ক্রয় করেন। দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকার সুযোগে অষ্টগ্রাম উপজেলা সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সজু মিয়া তার সম্পত্তি দখল করে নেন বলে তিনি দাবি করেন।

অপরদিকে জনি মিয়া অভিযোগ করেন, ২০১৫ সালে সজু মিয়ার কাছ থেকে ক্রয় করা ৩ শতাংশ বসতভিটা ও একটি পুরাতন ভবন সংস্কারের উদ্যোগ নিলে তাকে বাধা দেওয়া হয়। তার দাবি, সজু মিয়া তার কাছে ৫ লাখ টাকা দাবি করেন এবং পরে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেন। বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করলে উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাঈদ আহমেদ তাকে জমি ছেড়ে দেয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন।

ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, বারবার স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্টা করেও কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত করে অষ্টগ্রাম উপজেলা সৈয়দ সাঈদ আহমেদ ও সজু মিয়ার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য জেলা ও কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এস