বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে কুমিল্লার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক ইয়াসির আরাফাত এই রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মফিজুল ইসলাম ওরফে মফু জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার খিলপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে।
আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আব্দুল মোতালেব মজুমদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার বরাত দিয়ে আইনজীবী জানান, নিহত শিশুটি সদর দক্ষিণ উপজেলার খেয়াইশ এলাকায় একটি কিন্ডারগার্টেনে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। বিগত ২০২৪ সালের ২৯ এপ্রিল সকালে বাড়ি থেকে বের হয় স্কুলের দিকে রওনা হয় সে। পথিমধ্যে তার পথরোধ করে মফিজুল ইসলাম ওরফে মফু তাকে পাশের একটি জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে ওড়না পেঁচিয়ে হত্যা করে মরদেহ ধানখেতে ফেলে চলে যান। পরে স্বজনরা অনেক খোঁজাখুঁজির পর ধানখেতে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।
ঘটনার পরদিন ৩০ এপ্রিল নিহত শিশুর মা বাদী হয়ে সদর দক্ষিণ থানায় ধর্ষণ ও হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর তদন্ত কর্মকর্তা অভিযুক্ত মফুকে দায়ী করে চার্জশিট জমা দেন। শুনানি শেষে আদালতে মফুর দোষ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হলে অভিযুক্ত মফুকে মৃত্যদণ্ড এবং ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
আইনজীবী আব্দুল মোতালেব মজুমদার বলেন, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত মফিজুল ইসলাম ওরফে মফু কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। আশা করছি আপিলেও এই রায় বহাল থাকবে।
এস