মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাত সাড়ে ১২টার দিকে ওই এলাকার আবুল হোসেন সর্দারের ঘর থেকে এসব অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আবুল হোসেন সর্দার পেশায় একজন জেলে। ঘটনার সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। পরে তাঁর স্ত্রী খালেদা আক্তারের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে স্থানীয় ফাঁড়ি পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘর থেকে বিভিন্ন ধরনের ধারালো দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, এসব অস্ত্র কী উদ্দেশ্যে মজুত করা হয়েছিল এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তাদের দাবি, অস্ত্র মজুতের নেপথ্যে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে বের করা হোক।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, ‘এ ধরনের অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় আমরা আতঙ্কিত। প্রশাসনের কাছে আমাদের দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অস্ত্রের উৎস ও এর সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

এ বিষয়ে স্থানীয়রা লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ ও রায়পুর থানা পুলিশের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। একই সঙ্গে এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত আবুল হোসেন সর্দারকে পাওয়া না যাওয়ায় তাঁর বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, পারিবারিক বিষয়াদি নিয়ে আবুল হোসেন সর্দারের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী খালেদা আক্তারের বিরোধ চলছিল। আবুল হোসেন নদীতে মাছ ধরতে গেলে খালেদা পুলিশকে অস্ত্র থাকার বিষয়টি অবগত করেন। পরে পুলিশ ধারালো অস্ত্রগুলো উদ্ধার করে নিয়ে আসে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে