বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার শানেরহাট ইউনিয়নের প্রথমডাঙ্গা গ্রামে দুই পরিবারের সম্মতিতে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।
চীনা তরুণের আগের নাম ঝাওহুইয়ান। বিয়ের আগে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে নিজের নাম রাখেন আয়ান ইসলাম। তার বাড়ি চীনের সিচুয়ান প্রদেশের পিংচাং কাউন্টির ইয়াঙ্কু টাউনশিপের তুবা গ্রামে।
অন্যদিকে, নববধূ আবিদা সুলতানার বাড়ি পীরগঞ্জ উপজেলার শানেরহাট ইউনিয়নের প্রথমডাঙ্গা গ্রামে।
জানা গেছে, মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে সুলতানা ও ঝাওহুইয়ানের পরিচয় হয়। এরপর নিয়মিত যোগাযোগের একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রায় এক বছর সম্পর্কের পর তারা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন।
গত ২৫ আগস্ট ভোরে বাংলাদেশে আসেন ঝাওহুইয়ান। ঢাকায় পৌঁছানোর পর বাসে করে রংপুরে যান। পরে পীরগঞ্জে গিয়ে আবিদার সঙ্গে দেখা করেন। বিষয়টি দুই পরিবারকে জানানো হলে তাদের সম্মতিতে বিয়ের আয়োজন করা হয়।
বিয়ের একদিন আগে, ১০ সেপ্টেম্বর রংপুরে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন ঝাওহুইয়ান। এরপর তার নাম রাখা হয় আয়ান ইসলাম। পরদিন রাতে পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।
আবিদার পরিবারের সদস্যরা জানান, আয়ানের সঙ্গে আবিদার আগে থেকেই সম্পর্ক ছিল। দুই পরিবারের সম্মতিতেই তাদের বিয়ে হয়েছে।
শানেরহাট ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রাশেদুল ইসলাম বলেন, তাদের আগে থেকেই প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বৃহস্পতিবার রাতে তাদের বিয়ে হয়েছে।
চীনা তরুণের সঙ্গে বাংলাদেশি তরুণীর বিয়ের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়দের মধ্যেও কৌতূহল তৈরি হয়েছে। নবদম্পতিকে দেখতে আশপাশের মানুষ তাদের বাড়িতে ভিড় করছেন। নতুন সংসার নিয়ে উচ্ছ্বসিত এই দম্পতি।
এস
