২৬ জুলাই (রোববার) সকালে বিয়ানীবাজার পৌর শহরের ফতেহপুর কবরস্থানে গিয়ে তিনি দৈনিক নয়া দিগন্তের তৎকালীন সিলেট ব্যুরো প্রধান ও দৈনিক জালালাবাদের স্টাফ রিপোর্টার শহীদ তুরাবের কবর জিয়ারত করেন এবং তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করেন।
জিয়ারত শেষে শহীদ সাংবাদিক তুরাবের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ডা. শফিকুর রহমান। এসময় তিনি তুরাবের বড় ভাই আবু আজরফ মো. জাবুরসহ পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং তাদের খোঁজখবর নেন।
এসময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, "শহীদ সাংবাদিক তুরাবদের রক্তের বিনিময়েই আজ দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, শহীদ হওয়ার দুই বছর পার হলেও এখন পর্যন্ত তাঁর হত্যার বিচার কার্যক্রম শুরু হয়নি। শহীদ সাংবাদিক তুরাব হত্যার বিচার না হলে ভবিষ্যতে তুরাবের মতো সাহসী ও সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিক তৈরি হবে না। সাংবাদিকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে এবং ন্যায়বিচারের প্রতি মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে এই হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার সম্পন্ন করা জরুরি।"
তিনি আরও বলেন, "আমরা সাংবাদিক তুরাব হত্যার বিচারের দাবি জোরদার করব। এর বিচার হতেই হবে। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার স্বার্থে সাংবাদিক তুরাব হত্যার বিচার হওয়া উচিত। আমরা জানি না এই সরকার তুরাব হত্যার বিচার করবে কিনা, তবে শেষ বিচারের দিনে অবশ্যই তুরাব ন্যায়বিচার পাবেন।"
এসময় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও সিলেট জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান, জেলা সেক্রেটারি জয়নাল আবেদীন, জেলা জামায়াত নেতা মাওলানা ফয়জুল ইসলাম, বিয়ানীবাজার উপজেলা আমীর মোস্তফা উদ্দিন, নায়েবে আমীর আবুল খায়ের, পৌর জামায়াতের আমীর জমির হোসাইন, নায়েবে আমীর সৈয়দ আবু কয়ছর কাজল, সেক্রেটারি ছাদ উদ্দিন এবং উপজেলা সহকারী সেক্রেটারি রুকন উদ্দিন।
উল্লেখ্য, শহীদ সাংবাদিক তুরাবের কবর জিয়ারতের আগে ডা. শফিকুর রহমান তাঁর নানা মাস্টার জোয়াদুর রহমান, প্রবীণ জামায়াত কর্মী মুহুরী আব্দুল খালিক, লেখক ও গবেষক আব্দুল হাকিম তাপাদারের কবর জিয়ারত করেন। এসময় তিনি তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করেন, পরিবারের খোঁজখবর নেন ও সহমর্মিতা প্রকাশ করেন।
এস