শিক্ষার্থীরা জানান, আমরা ২০২৫ সাল থেকে আন্দোলন করে আসছি। কিন্তু হাসপাতাল চালু না করে আমাদের পড়ানো হচ্ছে। এ শিক্ষা আমাদের কোন কাজে আসবেনা। আমাদের শিক্ষকদের অনেক সুযোগ দিয়েছি। কিন্তু তারা আমাদের সমস্যাগুলো বুঝার চেষ্টা করেননি। কলেজ প্রশাসন আমাদের সাথে কোন বৈঠক করেননি। মন্ত্রণালয়ের সাথে আমাদের কোন বৈঠক করাতে পারেননি। তারা ব্যর্থ। শিক্ষকগন আমাদের সাথে আর্গুমেন্ট করছেন। তারা বলছেন তোমরা কি করতে পারো, করো। তাই বাধ্য হয়ে তালা দিয়েছি।
শিক্ষার্থী সাইদুল ইসলাম সাকিব বলেন, বৃহস্পতিবার এলে শিক্ষক কম আসেন। আজ সবাই এসে আমাদের মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে ক্লাসে ফেরানোর চেষ্টা করছেন। এমন আশ্বাসে বছর পার হয়েছে। তাই বাধ্য হয়ে একাডেমিক ভবনের গেইটে বাহির থেকে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ করছি।
সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ বলেন, মোস্তাক আহমেদ ভুঁইয়া বলেন, শিক্ষার্থীদের মুল দাবি দুটি ছিল এক হলো হাসপাতাল চালু ও দ্বিতীয়টি হলো শিক্ষক নিয়োগ।
গত বুধবার স্বাস্থ্যমন্ত্রনালয়ের সভায় তাদের দাবি মানা হয়েছে। আগামী দেড় মাসের মধ্যে আউটডোর সেবা চালু হবে। অক্টোবর মাস থেকে মেডিসিন ওয়ার্ডের মাধ্যমে ইনডোর কার্যক্রম চালু হবে। ডিসেম্বরের মধ্যে পুরোপুরি হাসপাতাল চালু হবে। এই রোডম্যাপ শিক্ষার্থীরা মানতে নারাজ। তারা শিক্ষকদের তালাবদ্ধ করে ভালো করেনি।
এস