দগ্ধ আরিফুল ইসলাের (৩৫) শরীরে ৬৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। তাকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি তিনজনের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। তারা প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাসায় ফিরে গেছেন।

আরিফুল ইসলাম রংপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার লতাবর গ্রামের আলী আজগরের ছেলে। তিনি ফতুল্লার দেলপাড়া বাজারসংলগ্ন তানিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।

ফতুল্লা থানার ওসি মাহবুব আলম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

স্যানিটারি মিস্ত্রি আব্দুল জলিল জানান, দেলোয়ার হোসেনের বাড়িতে অবৈধ গ্যাস সংযোগ দেওয়ার জন্য ১৭ হাজার টাকায় চুক্তি হয়েছিল। অগ্রিম দুই হাজার টাকা দেওয়া হয়। পরে স্থানীয় এক গ্যাস কন্ট্রাক্টরের মাধ্যমে কয়েকজন শ্রমিক নিয়ে রাতে সড়ক কেটে পাইপে সংযোগ দেওয়ার কাজ শুরু করেন। পাইপ বের করে সংযোগ দেওয়ার সময় হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়।

এমএম