বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার ২নং পাথৈর ইউনিয়নের হাটমূড়া গ্রামের প্রধানীয়া বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৮ বছর আগে কুমিল্লার তিতাস উপজেলার মুটুকি গ্রামের দ্বীনেস মিয়ার মেয়ে মরিয়মের পারিবারিকভাবে আলমগীর সঙ্গে বিয়ে হয়। দুই বছর যাবৎ আলমগীর তার চাচাতো ভাই হুমায়ুনের স্ত্রী শাহীন আক্তার (৩০)-এর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে প্রায়ই স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া লেগে আলমগীর স্ত্রীকে মারধর করত।

বৃহস্পতিবার বিকেলে আলমগীর মরিয়মকে বেধড়ক মারধর করলে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। সাচার একটি প্রাইভেট হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকায় নেওয়ার পথে মরিয়ম মারা যান।

ঘটনার পর বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে অভিযুক্ত আলমগীর। তাকে না পেয়ে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা পরকীয়া প্রেমিকা শাহীনা আক্তারকে পুলিশে সোপর্দ করে।

নিহতের ননদ সায়েরা ও ভাতিজা মামুন জানান, এসব বিষয় নিয়ে মরিয়মকে এর আগেও কয়েকবার মেরেছে আলমগীর । এ নিয়ে শালিস বৈঠক হয়েছে কয়েকবার। নিহত মরিয়মের শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে তার পরিবার দাবি করেছে।

এ বিষয়ে কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আজিজুল ইসলাম বলেন, নিহতের লাশ উদ্ধার করেছি। শুক্রবার সকালে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন, ঘাতককে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এমএম