শুক্রবার সকালে প্রচণ্ড বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। বিজিবির নীলডুমুর ব্যাটালিয়ন (১৭ বিজিবি) জানিয়েছে, খুরমী বিওপি থেকে দক্ষিণে প্রায় সাড়ে ৩ কিলোমিটার দূরে কালিন্দী নদীর মধ্যস্থ চরের ছোট বাঁশঝাড়িয়া মিনি ফরেস্ট এলাকায় পুশইনের চেষ্টা করা হয়।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, ভারতের ৭৭ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের চর সাহেবখালী বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা একটি কান্ট্রি বোট ও একটি স্পিডবোট নিয়ে ওই এলাকায় আসে। এ সময় অজ্ঞাতনামা ১০-১২ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়।
বিষয়টি খুরমী বিওপির টহলদলের নজরে পড়লে প্রচণ্ড বৃষ্টি উপেক্ষা করে বিজিবির সদস্যরা দ্রুত স্পিডবোট নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তারা ওই ব্যক্তিদের বাংলাদেশে প্রবেশে বাধা দেন।
বিজিবির দৃঢ় অবস্থানের কারণে শেষ পর্যন্ত পুশইনের চেষ্টা সফল হয়নি। পরে সকাল ১১টার দিকে বিএসএফ সদস্যরা ওই ১০-১২ জনকে ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিয়ে যায়।
নীলডুমুর ব্যাটালিয়ন (১৭ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল খন্দকার আবু সহল আব্দুল্লাহ বলেন, দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১৭ বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্কতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে।
তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে অবৈধভাবে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। আন্তর্জাতিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনা নীতিমালা, প্রচলিত আইন ও দ্বিপক্ষীয় সমঝোতার পরিপন্থি যেকোনো পুশইনের চেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হচ্ছে।
পুশইন প্রতিরোধে সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি, টহল ও অপারেশনাল কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১৭ বিজিবি প্রস্তুত রয়েছে।
এস
