শাহাবুদ্দিন ওই এলাকার প্রয়াত শামসুল আলমের ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক ছিলেন। পেশায় নদীপথে চলাচলকারী বিভিন্ন মালবাহী ট্রলারের শ্রমিক ছিলেন তিনি।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শাহাবুদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। পাশাপাশি তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন বলেও পরিবারের দাবি। মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাতে পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। পরে দিবাগত রাত ১২টার দিকে একই বিছানায় তারা ঘুমিয়ে পড়েন।

পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, আজ ভোরে শাহাবুদ্দিনের স্ত্রী ঘুম থেকে উঠে তাকে পাশে না দেখে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে পাশের একটি খালি কক্ষে গিয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে নাইলনের রশি দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় শাহাবুদ্দিনকে ঝুলতে দেখেন। পরে পরিবারের সদস্যরা পুলিশে খবর দিলে আনোয়ারা থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে। সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

এমএম