সর্বশেষ রফতানি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুলাইয়ে দেশের মোট পণ্য রফতানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪.৭৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। যা ২০২৬ সালের জুনে ছিল ৪.২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

দেশের মোট রফতানি আয়ের সিংহভাগ যোগান দেয়া তৈরি পোশাক খাত জুলাই মাসে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।

জুলাইয়ে তৈরি পোশাক রফতানি হয়েছে ৩.৮৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা জুন মাসের ৩.৩৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায় ১৪.৭৩ শতাংশ বেশি।

জুলাই মাসে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রফতানি গন্তব্য ছিল যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে ৯১৮.৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছে। যা ২০২৫ সালের জুলাইয়ের তুলনায় ০.২৫ শতাংশ বেশি।

দ্বিতীয় বৃহত্তম রফতানি বাজার ছিল জার্মানি, যেখানে রফতানি হয়েছে ৪৯৫.৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য। এর পরেই রয়েছে যুক্তরাজ্য, যেখানে রফতানির পরিমাণ ছিল ৪৭৮.৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

প্রধান রফতানি গন্তব্যগুলোর মধ্যে ভারত ও সৌদি আরবে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। ভারতীয় বাজারে রফতানি ১৫.৩০ শতাংশ এবং সৌদি আরবে ১০.৬৪ শতাংশ বেড়েছে।

বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতে এই শক্তিশালী মাসভিত্তিক পুনরুদ্ধার চলতি অর্থবছরের রফতানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে নীতিনির্ধারক ও রফতানিকারকদের মধ্যে আশাবাদ সৃষ্টি করেছে।

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, সামনে শরৎকাল ও বছরের শেষের উৎসব মৌসুমকে ঘিরে নতুন রফতানি আদেশ পাওয়ার পাশাপাশি রফতানিকারকেরা অপ্রচলিত বাজারে সম্প্রসারণ এবং নতুন পণ্য যুক্ত করার মাধ্যমে আগামী মাসগুলোতে রফতানি প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রাখতে সক্ষম হবেন।

সূত্র : বাসস

এস