আইএমএফের পূর্বাভাসের বরাতে তৈরি প্রতিবেদনে ‘ভিজ্যুয়াল ক্যাপিটালিস্ট’ বিশ্বের সবগুলো দেশের ২০৩০ সালের ‘ইকোনোমিক আউটলুকের’ মিনিমাল জিডেপির তথ্য উল্লেখ করেছে।
বর্তমান সময়ের মতো ২০৩০ সালেরও বিশ্বের বৃহৎ অর্থনীতির দেশ থাকবে যুক্তরাষ্ট্র (৩৭.৭ ট্রিলিয়ন), চীন (২৬ ট্রিলিয়ন) এবং জার্মানি (৬ ট্রিলিয়ন)।
আর এই তিন বৃহৎ অর্থনীতি মিলে ২০২৬ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্ব অর্থনীতিতে যোগ করবে আরও ১০ ট্রিলিয়ন ডলার।
আইএমএফের তথ্য অনুযায়ী, ২০৩০ সালে বৃহৎ অর্থনীতির তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান হবে ৩২তম। এরমাধ্যমে বাংলাদেশ মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড এবং ভিয়েতনামকে ছাড়িয়ে যাবে।
যদি বর্তমান বৃদ্ধি অব্যাহত থাকে তাহলে ২০৩০ সালে বাংলাদেশের জিডেপি দাঁড়াবে ৬৭৭ বিলিয়ন ডলারে।
আইএমএফের পূর্ভাবাসে আফগানিস্তান, বলিভিয়া, কিউবা, ইরিত্রিয়া, লেবানন, উত্তর কোরিয়া, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, সিরিয়া ও ভেনেজুয়েলার তথ্য নেই।
২০৩০ সালে তৃতীয় বৃহৎ অর্থনীতির স্থানের ক্ষেত্রে ভারত ও জার্মানির একেঅপরের খুব কাছাকাছি থাকবে। ওই সময় জার্মানির জিডেপি থাকবে ৬ দশমিক ১৭৮ ট্রিলিয়ন ডলার। অপরদিকে ভারতের থাকবে ৬ দশমিক ১৭৩ ডলার। অর্থাৎ দুই দেশের মধ্যে ব্যবধান থাকবে মাত্র ৫ বিলিয়ন ডলার।
আর বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে ভারত জার্মানিকে নমিনাল জিডেপিতে ছাড়িয়ে যাবে।
এশিয়ার মধ্যে চীন ও ভারতের পর জাপানের অবস্থান হবে তৃতীয়। তাদের জিডেপি থাকবে ৫ ট্রিলিয়ন ডলার। এরপর যথাক্রমে দক্ষিণ কোরিয়া (২.৩ ট্রিলিয়ন ডলার), াইন্দোনেশিয়া (২.১ ট্রিলিয়ন ডলার)।
জাপান এক সময় বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ অর্থনীতির দেশ ছিল। কিন্তু ২০১০ সালে চীন এবং ২০২৪ সালে জার্মানি তাদের ছাড়িয়ে যায়।
বৃহৎ অর্থনীতির দেশ কী?
যেসব দেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডেপি) বেশি তাদের বৃহৎ অর্থনীতি বলা হয়। একটি দেশের ভেতরে এক বছরে মোট যত পণ্য ও সেবা তৈরি হয় তার আর্থিক মূল্য হলো জিডেপি।
এমএম