বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে জ্যাসি বলেন, ‘‘এবারের ছাঁটাই আর্থিক চাপ বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সংক্রান্ত কোনো কারণে হয়নি। বরং আমরা দেখেছি যে, প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও কর্মসংস্কৃতির সঙ্গে অনেক কর্মীর ভূমিকা মানানসই নয়।’’
তিনি জানান, বিগত কয়েক বছরে কোম্পানির দ্রুত সম্প্রসারণের ফলে কর্মী কাঠামোতে অতিরিক্ত স্তর তৈরি হয়েছিল। এতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায় এবং কর্মীদের মধ্যে মালিকানাবোধ ও কার্যদক্ষতায় প্রভাব পড়ে। তাই পুনর্গঠনের মাধ্যমে কার্যক্রমকে আরও দ্রুত ও ফলপ্রসূ করার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ।
তবে অ্যামাজনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট বেথ গ্যালেত্তি আগে এক ব্লগ পোস্টে বলেছিলেন, এআই প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশও কর্মী সংকোচনের পেছনে ভূমিকা রাখছে। তার মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এখন এমন একটি পরিবর্তনশীল প্রযুক্তি, যা প্রতিষ্ঠানগুলোকে কম সময় ও কম জনবল দিয়ে বেশি উদ্ভাবনী কাজ করতে সহায়তা করছে।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০২২ সালের শেষদিকে অ্যামাজন প্রায় ২৭ হাজার কর্মী ছাঁটাই করেছিল। নতুন ছাঁটাইকে তাই সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম বড় পুনর্গঠন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
গুগল ও মাইক্রোসফটসহ অন্যান্য বড় প্রযুক্তি কোম্পানিও কার্যদক্ষতা বাড়াতে সম্প্রতি একই ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে।
সূত্র: বিজনেস ইনসাইডার।
এনএইচ