সোমবার (১১ মে) মাউশির এইচআরএম ইউনিটের উপপরিচালক মো. শওকত হোসেন মোল্যার সই করা দুটি পৃথক চিঠিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।
প্রথম চিঠিতে ১০টি কলেজকে নতুন করে প্রস্তাব পাঠাতে বলা হয়েছে এবং দ্বিতীয় চিঠিতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রস্তাব না পাঠানো ১৩টি কলেজকে বিলম্বের কারণ ব্যাখ্যাসহ পুনরায় আবেদন করতে বলা হয়েছে।
মাউশি সূত্র জানিয়েছে, সরকারি হওয়া কলেজগুলোর শূন্য পদে শিক্ষা ক্যাডারের শিক্ষক নিয়োগের জন্য এই পদ সৃজন প্রক্রিয়া অত্যন্ত জরুরি। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কলেজগুলোর অধ্যক্ষদের আগামী ১৯ মের মধ্যে নির্ধারিত নমুনা অনুসরণ করে চার কপি বাইন্ডিং করা বই আকারে পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাব মাউশির এইচআরএম ইউনিটে (কক্ষ নম্বর ৫৩০) জমা দিতে হবে। একই সঙ্গে ডিজিটাল কপি বা সফটকপি নির্ধারিত ইমেইলে ([email protected]) পাঠাতে হবে।
তালিকায় থাকা প্রথম ১০টি কলেজের মধ্যে রয়েছে– নারায়ণগঞ্জের সরকারি মুড়াপাড়া কলেজ ও সরকারি কদম রসুল কলেজ, গাজীপুরের সরকারি কালিগঞ্জ শ্রমিক কলেজ, কক্সবাজারের রামু ডিগ্রি কলেজ, ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজ, টাঙ্গাইলের শামসুল হক সরকারি কলেজ, ঢাকার সরকারি ইস্পাহানী ডিগ্রি কলেজ, চট্টগ্রামের নিজামপুর সরকারি কলেজ, সিরাজগঞ্জের সরকারি বেগম নূরুণ নাহার তর্কবাগীশ অনার্স কলেজ এবং চাঁদপুরের কচুয়া সরকারি ডিগ্রি কলেজ।
অন্যদিকে, গত ১২ মার্চ চিঠি পাঠানো সত্ত্বেও যেসব কলেজ থেকে কোনো প্রস্তাব পাওয়া যায়নি, তাদের বিলম্বের কারণ ব্যাখ্যাসহ পুনরায় প্রস্তাব পাঠানোর কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে– লালমাটিয়া সরকারি মহিলা কলেজ, সাভার সরকারি কলেজ, কিশোরগঞ্জের সরকারি হাজী আসমত কলেজ, কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা সরকারি কলেজ, রংপুরের সরকারি শাহ আব্দুর রউফ কলেজ, শরীয়তপুরের সরকারি শামসুর রহমান কলেজ এবং চট্টগ্রামের হাটহাজারী সরকারি কলেজসহ মোট ১৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
এমএম