জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের উপ-প্রচার সম্পাদক আনিছুর রহমান শিশিরকে সংগঠন থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারে জালিয়াতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলামের ইন্ধনে গঠনতন্ত্র অমান্য করে এ বহিষ্কারাদেশ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন একাধিক নেতাকর্মী।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের দফতর সম্পাদক জাহিদ হাসান সোমবার সংগঠনের প্যাডে শিশিরের বহিষ্কারাদেশ গণমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি আকারে পাঠান। হাতে লেখা এ বিজ্ঞপ্তিতে প্রথমে সাময়িক বহিষ্কারের উল্লেখ করা হলেও তা কেটে ঠিক নিচে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের কথা উল্লেখ করা হয়।
‘বহিষ্কৃত’ আনিছুর রহমান শিশির অভিযোগ করে বলেন, ‘ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কেবল কেন্দ্রীয় সংসদই কাউকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করতে পারে। বিজ্ঞপ্তিতে কাটাকাটির ব্যাপারটি জালিয়াতি বলে মনে হচ্ছে।’
ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্রের ১৭(ক) ধারায় উল্লেখ আছে, বহিষ্কারের ব্যাপারে কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।
১৭(খ) ধারায় বলা আছে, যেকোনো শাখা উপযুক্ত কারণ দেখিয়ে অভিযুক্ত কোনো সদস্যের সদস্যপদ তিন মাসের জন্য স্থগিত করতে পারে।
১৭(গ) ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ অভিযুক্ত সদস্যের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনে আরও কঠোর শাস্তি অথবা অভিযোগ থেকে অব্যাহতি প্রদান করবে।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিষ্কারাদেশে স্থায়ী কিংবা অস্থায়ী কিছুই উল্লেখ নেই।’
বহিষ্কারপত্রে সাময়িক বহিষ্কার কেটে স্থায়ী বহিষ্কার লেখার প্রমাণ আছে জানালে তিনি বলেন, ‘আমি ক্যাম্পাস থেকে চলে এসেছিলাম। এ ব্যাপারে জানি না।’
কিন্তু ঘটনার সময় তিনি ক্যাম্পাসে ছিলেন জানালে সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমি ব্যাপারটি খোঁজ নিয়ে দেখছি। তবে স্থায়ী বহিষ্কারের ব্যাপারে কেন্দ্রীয় সংসদ সিদ্ধান্ত নেবে।’
ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সভাপতি বদিউজ্জামান সোহাগ বলেন, ‘জবি ছাত্রলীগ নেতাকে বহিষ্কারের ব্যাপারটি আমি জানি না। তবে কোনো শাখা কাউকে বহিষ্কার করতে পারে না।’
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের একাধিক নেতাকর্মী জানান, আনিছুর রহমান শিশির বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তিনি হারুনুর রশীদ গ্রুপের সক্রিয় কর্মী। হারুন গ্রুপকে দুর্বল করতেই সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলামের ইন্ধনে শিশিরকে বিতর্কিতভাবে ‘বহিষ্কার’ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের মার্চে শিক্ষককে অস্ত্র ঠেকিয়ে টেন্ডার ছিনতাইয়ের অভিযোগ ওঠে সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে। শিক্ষকদের আন্দোলনের মুখে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ ১৮ মার্চ তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করলে ক্যাম্পাসে হারুন গ্রুপের আধিপত্য বৃদ্ধি পায়। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সিরাজুল ইসলামের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে নেয়।
ঢাকা, ১৩ মে (টাইমনিউজবিডি) //জেডআই
জবি ছাত্রলীগ নেতাকে বহিষ্কারে জালিয়াতি!
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের উপ-প্রচার সম্পাদক আনিছুর রহমান শিশিরকে সংগঠন থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারে জালিয়াতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের
গোপন সনদে বাল্যবিয়ে জালিয়াতির ফাঁদে কিশোরীদের আইনি সুরক্ষা
সরকারি নিবন্ধন খাতাকে পাশ কাটিয়ে নওগাঁর বিভিন্ন উপজেলায় অবাধে ‘গোপন রেজিস্টারে’ চলছে নাবালক-নাবালিকাদের বাল্যবিয়ে। সরকারি নির্ধারিত ফি-এর চেয়ে অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে বিয়ের তথ্য আলাদা খাতায় সংরক্ষণ করছেন একশ্রেণীর অসাধু ম্যারেজ রেজিস্ট্রার (কাজী)। পরবর্তীতে ছেলে বা মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক হলে মোটা অঙ্কের বিনিময়ে সরবরাহ করা হয় বিয়ের মূল নকল (কাবিননামা)। রেজিস্ট্রেশনের এই অবৈধ বাণিজ্যের কারণে আইনি সুরক্ষা ও মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
অনিয়ম-জালিয়াতির অভিযোগে ডব্লিউএইচওর পদ ছাড়লেন পুতুল
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালকের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগে সংস্থাটির তদন্ত চলার মধ্যেই তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিলেন।
তালাক নিবন্ধনে বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ ডিজিটাল বিবাহ জালিয়াতি রোধ সহজ হবে: আইনমন্ত্রী
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ডিজিটাল পদ্ধতিতে বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন চালু হলে বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, জাল বিবাহ সনদ ও বিবাহসংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের জালিয়াতি রোধ করা সহজ হবে। একই সঙ্গে জনগণ দ্রুত বিবাহ ও তালাকের তথ্য যাচাই এবং ডিজিটাল সনদ পাওয়ার সুযোগ পাবেন।
শেয়ার জালিয়াতি মামলায় আসামি পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি চুপ্পু
দুর্নীতি, প্রতারণা, প্রভাব খাটিয়ে ব্যাংকের অর্থ লুট ও আত্মসাতের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে পারস্পরিক জোগসাজশে ব্রিলিয়ান্ট বিজনেস কোম্পানি লিমিটেডের নামে ২৫১ কোটি টাকার শেয়ার অধিগ্রহলের মামলার আসামি পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। এ মামলায় তার সাথে রয়েছেন আরো ১৯ জন।
৮০ হাজার কোটি টাকা ঋণ ও শেয়ার জালিয়াতিতে চুপ্পুর কোম্পানিও জড়িত
সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ও তার কোম্পানি জেএমসি বিল্ডার্সসহ এস আলমের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলো।














