এমন এক সময়ে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সাবেক শিক্ষার্থী সামাজিকমাধ্যমে এক খোলা বার্তার মাধ্যমে ডাকসু নির্বাচনে অংশ নেওয়া তরুণ ভোটারদের উদ্দেশে কিছু পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি শিক্ষার্থীদের আহ্বান জানিয়েছেন, যেন তারা পড়াশোনায় পিছিয়ে থাকা কিংবা অন্ধ দলীয় আনুগত্যে বিশ্বাসী প্রার্থীদের ভোট না দেন।

তিনি লিখেছেন, যারা বছরের পর বছর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে থাকে কিন্তু পড়াশোনায় মনোযোগ না দিয়ে কেবল রাজনীতি করে বেড়ায়, তাদের ভোট দেওয়া উচিত নয়। যারা নিজের জীবন গুছিয়ে নিতে পারে না, তারা অন্য শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গঠনের নেতৃত্বও দিতে পারবে না— এমন মন্তব্য করেন তিনি।

এছাড়া তিনি সতর্ক করেন সেইসব প্রার্থীদের বিষয়ে, যারা নিজেদের চিন্তার চেয়ে বড় কোনো নেতার নাম উচ্চারণ করেই প্রতিটি কথা শুরু করেন। তার ভাষায়, যারা পাঁচ মিনিট কথা বললেও এক নেতার নাম না বললে কিছু বলতে পারেন না, তারা স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে অক্ষম। এমন প্রার্থীরা ছাত্রদের স্বার্থ নয়, বরং অন্য কারও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নেই নিয়োজিত থাকবে।

ভোটারদের উদ্দেশে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দেন তিনি— তা হলো, কোনো একটি প্যানেলের সবাইকে অন্ধভাবে ভোট না দেওয়া। তিনি আহ্বান জানান, প্রতিটি পদের জন্য আলাদা করে সবচেয়ে যোগ্য ও সৎ প্রার্থীকে খুঁজে নেওয়ার। যার আচরণ ভদ্র, যিনি ভালো করে কথা বলতে পারেন, যিনি সৎ, দক্ষ এবং নেতৃত্ব দিতে পারেন, তাকেই ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি লিখেন, ‘হ্যাপি লীগ-ফ্রি ক্যাম্পাসে ছাত্র সংসদ নির্বাচন’। তার বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, তিনি চান একটি সুস্থ, নিরপেক্ষ, গণতান্ত্রিক পরিবেশে ডাকসু নির্বাচন হোক; যেখানে কোনো দলীয় বলয়ের বাইরে থেকেও শিক্ষার্থীরা মুক্তভাবে ভোট দিতে পারবেন এবং নেতৃত্ব বেছে নিতে পারবেন।

এমএম