জানা যায়, বুধবার (২০ আগস্ট) রাতে সংগঠনটির জাবি শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নাজমুল ইসলাম নিজের ফেসবুক আইডি থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন। পরদিন বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে তিনি এর ব্যাখ্যা দেন।

নাজমুল অভিযোগ করেন, “দলের কিছু প্রভাবশালী নেতা ত্যাগীদের অবমূল্যায়ন করছেন। প্যানেল গঠনে স্বজনপ্রীতি ও পক্ষপাতিত্ব করা হয়েছে। ত্যাগী নেতাদের উপেক্ষা করা হয়েছে।” এসব কারণে তিনি পদ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন বলে জানান।

এদিকে, তার এই পদত্যাগকে কেন্দ্র করে বাগছাসে ভাঙন বিতর্ক তীব্র আকার ধারণ করেছে। সংগঠনটির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীদের মধ্যেও এ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। পাশাপাশি পদত্যাগের হুমকি দিয়েছেন সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাউসার আলম আরমানও।

বাগছাসের এই নেতাদের দাবি, জাকসু নির্বাচনে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে তারা শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে নতুন গতি আনতে চান। কিন্তু যোগ্য হওয়ার পরেও কয়েকজন ত্যাগী কর্মীকে প্যানেল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ জাবি শাখার সদস্য সচিব আবু তৌহিদ মো. সিয়াম বলেন, “সংগঠনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যারা যোগ্য ও প্রতিনিধিত্বের উপযুক্ত বলে বিবেচিত হয়েছেন, তাদেরকেই প্যানেলে রাখা হয়েছে। এখানে ব্যক্তিগত স্বার্থ বা স্বজনপ্রীতির কোনো জায়গা নেই। আমাদের উদ্দেশ্য শুধু শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষা করা।”

এদিকে, বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর 'শিক্ষার্থী ঐক্য ফোরাম' নামে প্যানেলের নাম ঘোষণা করেছে শাখা ছাত্র সংসদ। পরে রাতে সংগঠনটির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে আংশিক প্যানেল ঘোষণা করা হয়।

প্যানেলে ভিপি পদে আহ্বায়ক আরিফুজ্জামান উজ্জ্বল, জিএস পদে সদস্য সচিব আবু তৌহিদ মো. সিয়াম, এজিএস পদে জিয়া উদ্দিন আয়ান এবং নারী এজিএস পদে মালিহা নামলাহকে মনোনীত করা হয়েছে। এছাড়া পূর্ণাঙ্গ প্যানেল দ্রুতই ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির শীর্ষ নেতারা।

এনএইচ