২৬ মার্চ উপলক্ষে নাটকটি নির্মাণ করেছেন সঞ্জয় সমদ্দার।

নির্মাতা সঞ্জয় বলেন, বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা থাকার পরও চেষ্টা করেছি মহান মুক্তিযুদ্ধের ওই প্রেক্ষাপট তুলে আনতে। কাজটির জন্য বাড়তি চেষ্টা করতে হয়েছে। সবচেয়ে বেশি সময় ব্যয় হয়েছে চিত্রনাট্যের কাজে। এরপর বিভিন্নভাবে কাজ নির্বাহ করতে হয়েছে।

তিনি মনে করেন, মুক্তিযুদ্ধ ৯ মাস ধরে হলেও সেই সময় হাজার হাজার ঘটনা ঘটেছে ও গল্প তৈরি হয়েছে। তৎকালীন অনেক ঘটনা এখনও মানুষের অজানা। সেসব গল্প যদি মানুষ সঠিকভাবে জানতে পারে, তাহলে দেশপ্রেমে আরও উদ্বুদ্ধ হবে।

পরিচালক বলেন, অপূর্ব ভাই কাজটির প্রতি যেমন যত্নশীল ছিলেন, তেমন মনোযোগী ছিলেন। অপর সহশিল্পীরাও নিজেদের সেরাটা দিয়ে সাপোর্ট দিয়েছেন। তা না হলে এমন সিরিয়াস কাজ সঠিকভাবে তুলে আনা কঠিন ছিল আমার জন্য।

ইসতিয়াক অয়নের চিত্রনাট্যে ‘নিহত নক্ষত্র’ নাটকটিতে আরও অভিনয় করেছেন মনিরা মিঠু, জয় রাজ, সায়েম সামাদ প্রমুখ।

বাস্তব ঘটনার সূত্র ধরে নাটকের একটি পর্যায়ে এসে জানা যায়, মুক্তিযুদ্ধের ময়দানে আজাদ মারা গেছেন। তবে কবে, কোথায়, কীভাবে তার মৃত্যু হয়, সেই খবর তার স্নেহময়ী মা জানতে পারেন না।

এরপর টানা ১৪ বছর শহীদ আজাদের মা ভাত খাননি। শুয়েছেন মাটিতে। প্রতীক্ষায় ছিলেন, হয়তো আজাদ ফিরে আসবে চিরচেনা হাসিমুখে মায়ের কাছে।

মনিরা মিঠু মায়ের চরিত্রে এই নাটকে অভিনয় করেছেন।

‘নিহত নক্ষত্র’ নাটকটি প্রচার হবে ২৬ মার্চ রাত ৮টায় আরটিভি পর্দায়।

এইচএন