সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে এই অভিনেত্রীর ‘এ থার্সডে’ সিনেমা। মুক্তির পর থেকেই সিনেমাটি দারুণ প্রশংসিত হওয়ার পাশাপাশি বক্স অফিসে বেশ হৈ চৈ ফেলে দিয়েছে।

মুভিটিতে ‘নয়না’র মতো তীব্র ও বলিষ্ঠ চরিত্রে অভিনয় করে তিনি দর্শকদের মুগ্ধ করেছেন। তিনি নিজের এমন সাফল্যে এবং আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে তার চিন্তা-ভাবনাসহ নানা বিষয় নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমের মুখোমুখী হয়েছেন।

ইয়ামি গৌতম বলেন, পৃথিবীর সকল নারীই অনেক সম্মানের সঙ্গে বেঁচে আছেন। এ জন্য আমি একজন নারী হিসেবে গর্ববোধ করি। এমনকি যখন নারীদের কাজের প্রশংসা শুনি তখন নিজেকে ক্ষমতাধর মনে করি।

তিনি বলেন, ইতিহাসের দিকে আপনি তাকালে দেখবেন অনেক দেবী অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করে বিজয় অর্জন করেছেন। এগুলো আমাকে সবসময় অনুপ্রাণিত করে। তবে সবাইকে নারীদের সুরক্ষা, সুযোগ তৈরি, শিক্ষাসহ নানা ক্ষেত্রে আরও নজর দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, নারীর সম্মান এবং মর্যাদা রক্ষার ক্ষেত্রে কখনোই ঝুঁকির মধ্যে থাকা উচিত নয়, পরিবার ও সমাজের অগ্রগতির মতো নিজেদেরও আধুনিক করতে হবে, এগিয়ে নিতে হবে।

এ অভিনেত্রী বলেন, প্রতিটি পরিবার নারীর সুরক্ষা ও স্বাধীনতা রক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারে বলে আমি মনে করি।

প্রসঙ্গত, খুব শিগগিরই ইয়ামিকে অক্ষয় কুমার ও পঙ্কজ ত্রিপাঠীর সঙ্গে ‘ওএমজি ২’, ‘লস্ট’ এবং অভিষেক বচ্চনের সঙ্গে ‘দাসভি’ সিনেমায় দেখতে পাবেন দর্শকরা। প্রতিটি সিনেমায় ভিন্ন ভিন্ন লুকে হাজির হবেন বলে জানান এ জনপ্রিয় নায়িকা।

ইয়ামি গৌতম ১৯৮৮ সালের ২৮ নভেম্বর ভারতের বিলাসপুরের হিমাচল প্রদেশে জন্মগ্রহন করেন। তিনি একজন অভিনেত্রী যিনি পাঞ্জাবি, তামিল, তেলুগু, মালয়ালম, কন্নড় এবং হিন্দি ভাষার চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।

তিনি পরিচালক মুকেশ গৌতমের কন্যা এবং সুরেলি গৌতমের বোন।

প্রসঙ্গত, গৌতম প্রাথমিকভাবে ভারতীয় টেলিভিশন বাণিজ্যিক এবং সোপ অপেরা যেমন চান্দ কে পার চালো (২০০৮), রাজকুমার আরিয়ান (২০০৮), উয়ে পেয়ার না হোগা কাম (২০০৯) এবং মীথি চোরি ন. ১ (২০১০) ইত্যাদি ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন।

এইচএন