রোববার (২৬ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসান শাহাদাতের আদালতে মামলাটি দায়ের করেন আজিজুর। আদালত আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অভিযোগ তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনারকে আদেশ দিয়েছেন।
এজাহার অনুযায়ী, আজিজুর রহমান টাইগারের সুনাম, সুখ্যাতি, ব্যবসায়িক সফলতা, দেশ-বিদেশে পরিচিতিতে ঈর্ষান্বিত হয়ে ডিপজল বিভিন্নভাবে তার অপচেষ্টায় লিপ্ত। তারই ধারাবাহিকতায় ম্যানেজার আব্দুল গণি গত বছরের ৩ আগস্ট, আজিজুর রহমান টাইগারের বিরুদ্ধে দারুস সালাম থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, টাইগারের নির্দেশে ৩ আগস্ট সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দিলশাদ, সাইদুর রহমানসহ ১০/১৫ জন তাদের (ডিপজলের) ভাড়া দেওয়া নাভানা সিএনজিতে জোর করে সাইনবোর্ড ভেঙ্গে তাদের নামে লাগানোর চেষ্টা করে। তারা জমির মালিকানা দাবি করে সামনের মাস থেকে ভাড়া দাবি করে। তবে জিডির তদন্তে টাইগারের সংশ্লিষ্টতা পায়নি পুলিশ। পরদিন ডিপজল তার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে বিষয়টি নিয়ে পোস্ট দেন।
মামলার বাদীর দাবি, ওই সম্পত্তির আসল মালিক তিনি। কিন্তু ডিপজল সেটিকে নিজের সম্পত্তি বলে দাবি করে ফেসবুকে পোস্ট দেন। যা তার সামাজিক মর্যাদা ও ব্যবসায়িক সুনাম ক্ষুণ্ন করেছে। এছাড়া বিষয়টি বিভিন্ন টেলিভিশন, সংবাদপত্র ও অনলাইন মাধ্যমে প্রচারিত হওয়ায় তিনি আর্থিক ও সামাজিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। মামলার বিষয়ে এখনও কোনো মন্তব্য করেননি অভিনেতা ডিপজল।
এমএম