তবে ভুক্তভোগী গ্রাহকের দাবি, তিনি শিক্ষা সনদ এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের বানান অনুসারে পাসপোর্টের আবেদন করেছেন। সমস্ত প্রমাণ থাকার পরও ওই কর্মকর্তা তা মানতে নারাজ। তাঁদের মধ্যকার বাকবিতণ্ডার ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়লে ভাইরাল হয়।
এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান। নিজের ফেসবুকে ভিডিওটি শেয়ার করে অভিনেত্রী ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘এই নির্বোধ লোকটাকে এভাবে একজন নাগরিককে হেনস্তা করার অপরাধে গ্রেফতার করা উচিত! এই অতি পাকনা বাংলাদেশের কোনো চাকরির যোগ্য নয়। ওঁনাকে হার্ভার্ডে পাঠানো উচিত।’
এদিকে অভিনেত্রীর সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন নেটিজেনরা। তাঁরা ওই কর্মকর্তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। ভিডিওটির মন্তব্যের ঘরে অনেকে ক্ষোভ উগরে দিয়ে জানিয়েছেন, দালাল ছাড়া সরাসরি পাসপোর্ট জমা দিতে গেলে এমন বানান ভুল ধরা হয়। অথচ দালালের মাধ্যমে টাকা দিলে সব ভুল নিমেষেই হাওয়া হয়ে যায়। অবশ্য ভুক্তভোগী গ্রাহক নিজে এমন কোনো দাবি করেননি।
পাসপোর্ট অফিসে এমন হয়রানির চিত্র নতুন নয়। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পাসপোর্ট অফিসগুলোতে প্রায়শই সাধারণ মানুষ ফরম জমা দেওয়া, ছবি তোলা কিংবা এনআইডি কার্ডের তথ্যের অমিলসহ বিভিন্ন তুচ্ছ অজুহাতে কর্মকর্তা ও দালাল চক্রের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েন।
এমএম