এ পর্যন্ত ১৭টি দেশে অবস্থিত ২৭টি বাংলাদেশ মিশনের মাধ্যমে ভোটার নিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। দূতাবাসে এনআইডির আবেদন নেওয়া হলেও তা নির্বাচন কমিশন থেকে দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল মালিকের টেবিলে উপস্থাপিত তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
পাসপোর্ট সেবাও অনলাইনে
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে যেসব বাংলাদেশি মিশনে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম চালু রয়েছে, সেখানে অনলাইনে আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। প্রবাসীরা তাদের সুবিধাজনক সময়ে বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট করতে পারেন। আবেদনের অগ্রগতিও জানা যায় অনলাইনে।
তিনি বলেন, দূতাবাস পাসপোর্টের আবেদন গ্রহণ করলেও পাসপোর্ট ঢাকায় ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর থেকে ইস্যু করা হয়। দ্রুততম সময়ে পাসপোর্ট ডেলিভারি নিশ্চিত করতে দূতাবাসগুলো নিয়মিত ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে।
পাসপোর্ট ডেলিভারির জন্য প্রস্তুত হলে আবেদনকারীকে এসএমএস বা ই-মেইলের মাধ্যমে জানানো হয়।
সৌদি আরব ও আমিরাতে বিশেষ উদ্যোগ
পাসপোর্ট সেবা সহজ করতে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকা প্রবাসীদের পাসপোর্ট–সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
তিনি বলেন, স্বল্পমেয়াদি বিশেষ কর্মসূচি বা ক্র্যাশ প্রোগ্রামের আওতায় সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনগুলোতে ঢাকা থেকে কারিগরি দক্ষতাসম্পন্ন দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসব দলের মাধ্যমে পাসপোর্ট–সংক্রান্ত সমস্যা সমাধান করা হবে।
অনলাইন সত্যায়ন ও ই-অ্যাপোস্টিল
কনস্যুলার সেবা সহজ করতে অনলাইন সত্যায়ন ও ই-অ্যাপোস্টিল ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এর ফলে সেবাপ্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করে ডিজিটাল সনদ নিতে পারছেন। এতে তাদের সময়, ব্যয় ও ভোগান্তি উল্লেখযোগ্যভাবে কমছে বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
তথ্য যাচাইয়ে নতুন অনলাইন ব্যবস্থা
পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের কর্মপরিকল্পনায় পাসপোর্ট, ভিসা এবং জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সনদের তথ্য যাচাই সহজ করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে একটি অনলাইন ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি প্রতিটি বাংলাদেশি মিশনে অনলাইন ‘গ্রিভ্যান্স রিড্রেস সিস্টেম’ চালু রয়েছে।
এমএম
