মঙ্গলবার (১ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রম্নমী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

চিঠিতে বলা হয়েছে, শয্যাসংখ্যা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিত্সক, নার্স ও পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিয়োজিত রাখা সব বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের জন্য বাধ্যতামূলক। বিশেষ করে ৫০ শয্যার একটি হাসপাতালে প্রতি শিফটে কমপক্ষে পাঁচজন মেডিকেল অফিসার উপস্থিত থাকতে হবে। অর্থাত্ প্রতি ১০ শয্যার বিপরীতে অন্তত একজন মেডিকেল অফিসার নিশ্চিত করতে হবে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের নির্দেশনায় সিভিল সার্জনদের পাঁচটি পদক্ষেপ বাস্তবায়নের কথা বলা হয়েছে। যথা-

১. জেলার সব বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক থেকে প্রতি মাসে চিকিত্সকদের ডিউটি রোস্টার সংগ্রহ করতে হবে।

২. প্রতিটি হাসপাতাল ও ক্লিনিক থেকে চিকিত্সকদের নাম, বিএমডিসি নিবন্ধন নম্বর ও মোবাইল নম্বরসহ হালনাগাদ তালিকা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে জমা নিশ্চিত করতে হবে।

৩. ডিউটি রোস্টার ও প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে নিয়মিত যাচাই-বাছাই এবং আকস্মিক পরিদর্শন পরিচালনা করতে হবে।

৪. প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিত্সক উপস্থিত না থাকলে বা ভুল কিংবা অসম্পূর্ণ তথ্য দেওয়া হলে প্রচলিত বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্বাস্থ্য অধিদফতরকে অবহিত করতে হবে।

৫. মনিটরিং কার্যক্রমের সারসংক্ষেপ প্রতিবেদন প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদফতরে পাঠাতে হবে।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, রোগীদের নিরাপদ, মানসম্মত ও নিরবচ্ছিন্ন চিকিত্সাসেবা নিশ্চিত করতেই এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বাস্তবায়নের জন্য সব সিভিল সার্জনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এমএম