নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতির বিষয়ে জানতে চাইলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘নিপাহ ভাইরাস ইনশাআল্লাহ এখন নিয়ন্ত্রণে আছে। এখানে নতুন কোনো রোগী আমরা সেভাবে পাচ্ছি না। কোনো মৃত্যুও হয়নি।’
তিনি বলেন, ‘প্রস্তুতি হিসেবে বক্ষব্যাধি হাসপাতালে একটা ইউনিট করে দেওয়া হয়েছে। আইসিইউ তৈরি করা হয়েছে। যেখানে নিপাহ বা এ ধরনের কোনো ভাইরাসে আক্রান্ত হলে যাতে সঠিক চিকিৎসা পেতে পারে। যাতে সংক্রমণটা না ছড়ায়, সে জন্য আমরা এ সুন্দর ইউনিটটি করেছিলাম।’
এর আগে গত ২৯ জানুয়ারি স্বাস্থ্যমন্ত্রী সচিবালয়ে সাংবাদিকদের জানান, চলতি বছর নিপাহ ভাইরাসে আটজন আক্রান্ত হয়েছেন। এরমধ্যে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর হার ৭০ শতাংশ।
গত বছরের চেয়ে এবার নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণটা বেশি বলেও ওইদিন জানিয়েছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। পরে নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১০ জন হয়। এর মধ্যে মারা যায় সাতজন।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, নিপাহ ভাইরাসের কোনো প্রতিষেধক নেই। কোনো ভ্যাকসিন নেই। বাদুর এ ভাইরাসের বাহক। কেউ বাদুরে খাওয়া কাঁচা খেজুরের রস ও কোনো ফল খেলে নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে।
এমআই
নিপাহ ভাইরাস এখন নিয়ন্ত্রণে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
দেশে নিপাহ ভাইরাস এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক। সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত সমসাময়িক বিষয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী এ কথা জানান।
নওগাঁয় নিপাহ ভাইরাসে নারীর মৃত্যু
নওগাঁয় কাঁচা খেজুরের রস পান করে নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। তবে মৃত ওই নারীর বাড়ি নওগাঁর কোথায় তা এখনো জানা যায়নি। চলতি বছর দেশে নিপাহ ভাইরাসে এটিই প্রথম মৃত্যু।
বাংলাদেশে প্রাণঘাতী হয়ে উঠছে নিপাহর মতো আরেক ভাইরাস
২০২২ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৩ সালের মার্চের মধ্যে জ্বর, বমি, মাথাব্যথা, ক্লান্তি, অতিরিক্ত লালা নিঃসরণ এবং স্নায়ুবিক (নিউরোলজিক) সমস্যা নিয়ে পাঁচজন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন।
নিপাহ ভাইরাস শনাক্ত ৩৫ জেলায়
সারাদেশের ৩৫টি জেলায় প্রাণঘাতী নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এই অবস্থায় দেশের সকল সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে সতর্কতা জারিসহ ভাইরাস মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
৩৫ জেলায় ছড়িয়েছে নিপাহ ভাইরাস, হাসপাতালকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ
দেশের ৩৫ জেলায় নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। গত বছর (২০২৫) দেশে নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। সবার শরীরেই নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ নিশ্চিতভাবে শনাক্ত হয়েছিল। সর্বশেষ একজন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
















